
অটিজম প্রতিরোধে করণীয় চিকিৎসা
অটিজম প্রতিরোধে করণীয়ঃ
- গর্ভাবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো মতেই ওষুধ না খাওয়া। গবেণণায় দেখা গেছে, মৃগীরোগের ওষুধে অটিজম বেমি হতে পারে।
- মায়ের মদপানের অভ্যাস থাকলে সন্তান নেয়ার আগে তা ছেড়ে দেয়া।
- বেশি বয়সে সন্তান না নেয়া এ ক্ষেত্রে পিতার বয়সকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
- সন্তান নেয়ার আগে মাকে রুবেলা ভ্যাকসিন দেয়া।
- সন্তানকে নিয়মিত বুকের দুধ খাওয়ানো। গবেষণায় দেখা গেছে, বুকের দুধ না খাওয়ালে শিশুর অটিজমের ঝুঁকি বেশি থাকে।
- সাধারণত প্রতি একশতে ০.৫ জন আর প্রথম শিশু অটিজম হলে দ্বিতীয় শিশুর অটিজম হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায় ৮ শতাংশ। আর যমজ শিশুর মধ্যে বৃদ্ধি পায় ৭৫ শতাংশ।
- (Birth defect)-এর প্রতি ব্যবস্থা নেয়া। সন্তান জন্মের সময় যদি সন্তানের ওজন কম থাকে (APGAR SEORE) কম হয় এবং ৩৫ সপ্তাহের আগে সন্তান ডেলিভারি হয়, এমন শিশুর মধ্যে ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ ক্ষেত্রে মায়ের ওজন বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য পরিচর্যা একান্ত প্রয়োজন।
- ফিনাইল কেটোনোরিয়া ও সিলিয়াক রোগ দ্রুত নির্ণয় করে সঠিক চিকিৎসা করা দরকার।
- বাবা-মায়ের সিজোফ্রেনিয়া মুড ডিসঅর্ডার থাকলে সন্তানের মধ্যে অটিজম বেড়ে যেতে পারে।
- পরিবেশ থেকে Heavy metals I pesticide বায়ুদূষণ প্রতিরোধে জাতীয়ভাবে উদ্যোগ নেয়া হলে ঝুঁকি কম থাকে।
আরও পড়ুনঃ অটিস্টিকের প্রধান লক্ষণ সমুহ
গণ সচেতনতায় ডিপিআরসি হসপিটাল লিমিটেড
medicalbd সাস্থের সকল খবর।
