
হৃদ রোগে রোগীর খাদ্য
যেসব শাকসবজি ও ফল বেশি খাওয়া উচিত
তাজা সবজি ও ফল, কম নোনা সবজি, কৌটায় সংরক্ষিত ফল।যেসব শাকসবজি ও ফল কম খাওয়া উচিত নারকেল, ক্রিম, সসযুক্ত সবজি, ভাজা সবজি, চিনির সিরাপে সংরক্ষিত ফল, চিনিযুক্ত হিমায়িত ফল।আকর শস্যদানা গ্রহণ করা উপকারী, শস্যদানায় প্রচুর পুষ্টি ও আঁশ থাকে। এগুলো হৃদপিন্ড তখা সার্বিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। অতি পরিশোধিক খাদ্যের চেয়ে শস্যদানা বেশি পরিমাণে গ্রহণ করা ভালো।
যেসব শস্যদানা বেশি খাওয়া উচিত
গমের আঁটা, তুষযুক্ত আটার রুটি, পাউরুটি, আঁমযুক্ত শস্য (প্রতিবাডর পাঁচ গ্রাম বা তার বেশি), আকাঁড়া চাল, বার্লি, গম, ওট মিল।
যেসব শস্যদানা কম খাওয়া উচিত
পরিশোধিত সাদাময়দা, সাদারুটি, হিমায়িতি ওয়াফেল, ডুনাট, বিস্কুট, কেক, পাই, এগ-নুডুলস, মাখনুযুক্ত পপকর্ন, অতি চর্বিযুক্ত স্নাক্স, ক্যাকার্স।
খাবারের লবণের পরিমাণ কামাতে হবে
অতিরিক্ত লবণ খেলে রক্তচাপ বেড়ে যায়। উচ্চরক্তচাপ হৃদরোগের প্রধান কারণ। এজন্য খাবারে লবণের পরিমাণ কম রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের খাদ্যে সব মিলিয়ৈ আড়াই গ্রামের বেশি অর্থ্যাৎ এক চা-চামচের কম লবণ থাকা উচিত। যাদের বয়ষ ৫১-এর বেশি এবং যাদের রক্তচাপ , ডায়াবেটিস কিংবা কিডনির সমস্যা আছে তাদের কখনও প্রতিদিন দেড় গ্রামের বেশি সোডিয়াম গ্রহণ করা উচিত নয়।
পাতে আলাদা লবণ না খাওয়া কিংবা রান্নার সময় তরকারিতে অতিরিক্ত লবণ যোগ না করা লবণ কমানোর প্রাথমকি পদক্ষেপ। পাশাপাশি একথাও মনে রাখতে হবে, আমাদের দৈনন্দিন আহারের একটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ লবণ আসে কৌটাজাত খাদ্যদ্রব্য, প্রক্রিয়াজাত করা খাবার, সুপ, হিমায়িত খাদ্যদ্রব্য ইত্যাদি উৎস থেকে।
অতএব লবণ গ্রহলের মাত্রা কমানোর জন্য এ ধরণের খাদ্যদ্রব্যের ব্যাপারেও আমাদের নজর রাখতে হবে।
০১. কম নোনা খাদ্যদ্রব্য অতিরিক্ত নোনা খাদ্যদ্রব্য
০২. হার্বস এবং মশলপাতের আলগা লবণ
০৩. লবণের বিকল্প কৌটাজাত স্যুপ
০৪. কম নোনা কৌটাজাত স্যুপ ইত্যাদি টমেটো সস
০৫. কম নোনা সয়াসস, কেচাপ সয়া সস
০৬. পাতে কম খাবার গ্রহণ
কী খেতে হবে, কোনো খাদ্যদ্রব্য স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, এটা জানা যেমন গুরুত্বপূর্ন, কতটুকু খেতে হবে সেটা নির্ধারণ করাও তেমন গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য খেতে বসে প্রথমে পেটে অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ না করা উত্তম। খাবারের তালিকা আগেভাবে ঠিক করা, খাবারের তালিকা আগেভাগে ঠিক করা থাকলে তা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
খাবারের দৈনন্দিন তালিকা নির্ধারণের সময়, সবজি এবং ফলমূলের পরিমাণ বেশি রাখতে হবে। চর্বিমুক্ত প্রোট্রিনকে প্রাধান্য দিতে হবে। অসম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত খাবার রাখতে হবে। খাবারের লবণের পরিমাণ সীমিত রাখতে হবে। খাবারের পরিমাণ এবং বৈচিত্রের বিষয়টিকে ভুলে গেলে চলবে না।
মাঝেমধ্যে বৈচিত্র দরকার
হৃদবান্ধব খাবাডর বিস্বাদ কিংবা আকর্ষণীয় বিহীন হলে তো চলবে না। এজন্য অবশ্যই খাবারে বৈচিত্র থাকতে হবে। মাঝেমধ্যে একটি ক্যান্ডিবার কিংবা একমুঠ আলুর চিপস খাওয়া দোষের নয়। তবে এটা যেন মাত্রাতিরিক্ত কিংবা নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে পরিশেষে বলা যায় আমরা হৃদবান্ধব খাওয়া-দাওয়া সম্পর্কে এতক্ষন যে দিকনির্দেশনা দিয়েছি তা অনুসরণ করলে যে কেউ উপকৃত হবেন। এটা বাস্তবসম্মত এবং আনন্দায়কও বটে।
medicalbd সাস্থের সকল খবর।
