মানুষ প্রথমে চারপেয়ে ছিল। কিন্তু প্রয়োজনের তাগিদে আলাদা করে পায়ের ব্যবহার শুরু হল। চলাই জীবন। স্থবিরতায় বেঁচে থাকার আনন্দ নেই। হাঁটা যে কোন বয়সেই ভালো। হাঁটার গুণ বলে শেষ করা যাবে না।
হাঁটার উপকারিতা:
১. শরীরের কোষে রক্ত স্ঞ্চালন বেড়ে যায়। ফলে ত্বক সজীব থাকে।
২. গর্ভবস্থায় হাঁটাচলা করা খুবই ভালো।
৩. হাঁটলে দেহের পেশি সতেজ থাকে।
৪. মাংসপেশির শক্তি বাড়ে।
৫. হাড়ে ক্যালসিয়াম জমায় হাড় শক্ত হয়।
৬. স্তন ক্যান্সারের সম্ভাবনা কমায়।
৭. হার্টরেট কমায়।
৮. প্রেসার অর্থ্যাৎ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
৯. হাঁপানির আক্রমণ কমায়। তবে জোরে হাঁটা একদম চলবে না।
১০. চোখে ছানিপড়া রোধ করে।
১১. প্রচুর ওজন কমায়
১২. ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়ায়
১৩. রক্তে কোলেস্টেরল কমায়।
১৪. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
১৫. ডায়াবেটিস হবার সম্ভাবনা কমায় এবং ওষুধ ছাড়াই সুগার কমে।
১৬. অম্বল রোগীদের নিরাময় সম্ভব।
১৭. চিরযৌবন দান করে।
১৮. মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
১৯. কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়ায়।
২০. অনিদ্রা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
২১. টেনশন কমে।
২২. মানসিক চাপ নেওয়া সম্ভব হয়।
২৩. ইনসুলিন নিঃসরণ বাড়ায়
২৪. শরীরের ভারসাম্য বজায় থাকে।
২৫. মানসিক হতাশা রোধ করা যায়।
২৬. ধারাবহিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে।
২৭. পরনির্ভরশীলাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
২৮. হাঁটলে ফিট থাকা যায়।
২৯. ট্রাইগ্লিসারাইড রোগটি একমাত্র হাঁটলেই কমে।
৩০. রক্তে এইচ.ডি.এল (ভালো কোলেস্টেরল) পরিমাণ বাড়ায়
৩১. রক্তে এলডিএল (খারাপ কোলেস্টরল) এর পরিমাণ কমায়।
৩২. হার্টে রক্ত চলাচল ভালো হয় তাই হার্টের সমস্যা দূর হয়।
৩৩. বাতের ব্যথা বাড়তে পারে না।
হাঁটার নিয়ম:
১. ফ্ল্যাট চটি পরে হাঁটুন।
২. মাটির সঙ্গে যেন না বাঁকে।
৩. পিছনের পা তোলার সময় অতি অবশ্যই যেন সামনের পা মুটি স্পর্শ করে।
৪. দুটো পা যখন মাটির স্পর্শে থাকবে তখন কোনও পা হাঁটুর কাছে বাঁকানো যাবে না।
৫. সামনের পা মাটি স্পর্শ করার সময় গোড়ালি আগে পড়ে, তারপর পায়ের পাতা।
৬. বাতের ব্যথা অবস্থায় হাঁটা উচিত নয়।
medicalbd সাস্থের সকল খবর।

