সাদাস্রাবের ধরণ/ সাবধানতা/রোগ নির্ণয়/ চিকিৎসা
সাদাস্রাব একটি স্বাভাবিক শরীর বৃত্তিক প্রক্রিয়া। তবে এই সাদাস্রাব নিয়ে মেয়েদের অসস্তির সীমা নেই। সাদাস্রাব সম্পকর্তি সঠিক ব্যখ্যা না থাকায় মানুষ স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকেও অস্বাভাবিক ভাবতে শুরু করেছে।আজ আমি স্বাভাবিক সাদাস্রাব সম্পর্কিত কিছু জানা-অজানা কথা আলোকপাত করবো।
সাদাস্রাব আমাদের মাসিক ও জরায়ুর মৃতকোষ ও ব্যাকটেরিয়াসমুহকে শরীর থেকে বের করে দেবার একটি প্রক্রিয়া।এটি একটি পাতলা সাদা বা পানির আকারে মাসিকের রাস্তা দিয়ে বিভিন্ন সময়ে নির্গত হয়ে থাকে যা মূলত শরীরকে জীবানুর হাত থেকে রক্ষা করে।
স্বাভাবিক সাদাস্রাবের ধরন:
পরিমাণ: অল্প থেকে মাঝারি
রং: বর্ণহীন থেকে সাদা দুধের মত
গন্ধ: গন্ধবিহীন
ঘনত্ব: পাতলা
স্বাভাবিক সাদাস্রাব কখন হয়:
মাসিকের পূর্বে ও মাঝামাঝি সমেয়, যৌন মিলনের সময়, গর্ভবতী অবস্থায় পরিমানের অতিরিক্ত সাদাস্রাব হতে পারে।
মাসিকের ধাপে- সাদাস্রাব পরিবর্তন:
মাসিকের মধ্যবর্তী সময়ে সাদাস্রাবের পরিমাণ সামান্য বৃদ্ধি পায়, ঘনত্ব কমে পাতলা হয়ে যায় ক্রামান্বয়ে স্রাব ঘন হতে থাকে এবং পরিমাণে কমতে থাকে।
স্বাভাবিক ও অস্বাভাবিক সাদাস্রাবের তুলনা:
স্বাভাবিক সাদাস্রাব উপরে বর্ণিত বৈশিষ্ট্য বহন করে।
অস্বাভাবিক সাদাস্রাব পরিমাণে অতিরিক্ত হয়ে, রং সবুজ, লাল, বাদামী, হয় এবং গন্ধযুক্ত হয়। সঙ্গে সাধারণত চুলকানি এবং জ্বালাপোড়া থাকে।
সাবধানতা:
★পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা মেনে চলতে হবে।
★সঠিক নিয়মে মূত্রত্যাগ ও মলত্যাগের পর পানির ব্যবহার করতে হবে।
★মাসিকের সময় কাপড়ের পরিবর্তে স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করতে হবে।
আরও পড়ুনঃ মাসিকের অনিয়মিত ব্যাথা ব্যথাযুক্ত মাসিক ডিসমেনোরিয়া।
ডাঃ উমা নাগ
এম.বি.বি.এস বি.সি.এস(স্বাস্থ্য), এম.সি.পি.এস(গাইনী এন্ড অবস)
ডি.জি.ও(গাইনী এন্ড অবস), এফ.সি.পি.এস(গাইনী এন্ড অবস)
যোগাযোগঃ-ডিপিআরসি হাসপাতাল( ২৯ প্রবাল হাউজিং,রিং-রোড,শ্যামলী,ঢাকা-১২০৭)
সিরিয়ালের জন্য ফোনঃ- +8801997702001; +8801997702002
www.dprcbd.com
www.medicalbd.info
medicalbd সাস্থের সকল খবর।

