লিভারে চর্বি জমে ফ্যাটি লিভার তৈরি হয়। বর্তমান জীবনশৈলী, খাবারের ধরন বদলে যাওয়া এবং বেশি পরিমাণে ফাস্ট ফুড খাওয়ার প্রবণতা ফ্যাটি লিভারের প্রবণতা বাড়াচ্ছে। অত্যাধিক অ্যালকোহলও অনেক সময় ফ্যাটি লিভারে বাড়িয়ে তোলে। মিষ্টি ও কার্বোহাইড্রেট খাবার বেশি খেলে লিবারে ট্রাইগ্লিসারাইড জমা হয়ে প্রদাহ সৃষ্টি করে। এতে লিভারের ক্ষতি হয়। এবং এটাকে ফ্যাটি লিভারের কারণ বলেও ধরা হয়।
উইলসন ডিজিজ এই রোগের কারণে শরীরে তামা বেড়ে গিয়ে তা লিভারে জমা হয়ে লিভারকে নষ্ঠ করে দেয়। শুধু যে লিভারকে নষ্ঠ করে তাই নয়, ব্রেন এবং অন্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গও খারাপ করে। যদিও অসুখটি খুব রেয়ার হয় এবং বংশানুক্রমিক হিসাবে কাদাচিৎ দেখা যায়। রোগটি পাঁচ থেকে পঁয়ত্রিশের মধ্যে হয়। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে বয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রেও দেখা যায়। শরীরে স্বাস্থ্যকর নার্ভ, বোন এবং স্কিনের মেলানিনের পিছনে কপারের একটা ভূমিকা আছে। এই কপার খাদ্য থেকে শরীরে আসে। বেশি হয়ে গেলে লিভারে জমা হয় মলমূত্রের মাধ্যমে বাইরে বেরিয়ে যায়। উইলসন ডিজিজে আক্রান্ত মানষের ক্ষেত্রে পুরোপুরি বেরিয়ে যায় না, লিভারে জমা হয়ে জীবন সংশয়ের কারণ হয়ে ওঠে। রোগটি ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
এই রোগে হজমশক্তি কমে যায়, ক্লান্তি দেখা দেয় শরীরে। শরীর হলুদ হয়ে যায় জন্ডিসের মতো।চোখ হয় গোল্ডেন ব্রাউন। পেটে ও পায়ে জল জমে। কথা বলার অসুবিধা হয়। মাসলে স্টিফনেস দেখা দেয়।
medicalbd সাস্থের সকল খবর।

