ফিজিক্যাল অ্যাবিউজ প্রতিরোধ

ফিজিক্যাল অ্যাবিউজ প্রতিরোধ

প্রতিরোধঃ

১. অপরিচিত বা স্বল্পপরিচিত কোনো পুরুষ/মহিলার সাথে নির্জনে আলাপ করবেন না ।

২. পুরুষ ডাক্তার মহিলা রোগীকে পরীক্ষা করার সময় অবশ্যই একজন বিশ্বস্ত নার্স বা মহিলা নিকটাত্মীয়ের সামনে রেখে করবেন।

৩. পরীক্ষা করার সময় পরীক্ষার প্রয়োজনে শরীর বা গোপনাঙ্গ উন্মুক্তকররণ-এর ক্ষেত্রে অবশ্যই পরীক্ষার উদ্দেশ্য রোগীর মঙ্গলের কথা বিষদভাবে বুঝিয়ে রোগীর অনুমতি সাপেক্ষে স্বাক্ষীসহ করা উচিত। এক্ষেত্রে তৃতীয় ব্যক্তির উপস্থিতিতে করতে হবে।

৪. ১৬ বছর বা ১৮ বছরের নিচে মেয়েদের ক্ষেত্রে অভিভাবকের অনুমতি আবশ্যক।

৫. অজ্ঞান রোগী, মানসিক রোগীর ক্ষেত্রে স্বাক্ষী, রোগীর নিকটাত্মীয়, অভিভাবক, সার্জন ও মানসিক বিশেষজ্ঞ-এর অনুমতি নিতে হবে।

এখানে গুরত্বপূর্ণ হলো সর্বক্ষেত্রেই ডাক্তারকে রোগীর রোগের গোপনীয়তা বা মর্যাদা হানিকর চারিত্রিক বিষয়াবলী রোগীর সাথে গোপন রাখা আবশ্যক শুধুমাত্র নিন্মোক্ত ২টি ক্ষেত্র ছাড়া-

১. জনগণের জান-মাল রক্ষার স্বার্থে যথাযথ কর্তৃপক্ষ যেমন নিকটস্থ থানার অবহিতকরণ।

২. রোগীর জান-মাল রক্ষার স্বার্থে রোগীর অভিভাবক বা নিকটাত্মীয়কে অবহিত করণ।

মনে রাখবেন এটি শুধু ডাক্তারকে বদনাম/অসত্য অভিযোগ থেকে রক্ষা করবে না বরং বিভিন্ন পরিস্থিতিতে অপ্রীতিকর ঘটনা বিশেষ করে কর্তব্যে অবহেলা বা বেচারী রোগীকে শারীরিকভাবে প্রহারজনিত অভিযোগ থেকেও অব্যাহতি পাবার রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে।

আরও পড়ুনঃ ফিজিক্যাল অ্যাবিউজ কি এবং এর ধরন।

গণ সচেতনতায় ডিপিআরসি হসপিটাল লিমিটেড

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*