
গর্ভাবস্থায় হাইপারটেনশন!
অধিকাংশ নারীই গর্ভাবস্থায় হাইপারটেনশনে ভুগে থাকেন। গর্ভবতী হওয়ার আগে হাইপারটেনশনে ভুগে থাকেন অনেক নারী। কিন্তু দেখা গেছে, গর্ভবতী হওয়ার পর চিন্তার কারণে হাইপারটেনশন চলে আসে অনেকের শরীরে। গর্ভবতী হওয়ার ২০ সপ্তাহ আগে যদি হাইপারটেনশন ধরা পড়ে, তাহলে তাকে বলে এসেন্সিয়াল হাইপারটেনশন। কিন্তু গর্ভবর্তী হওয়ার পর যদি হাইপারটেনশন ধরা পড়ে, তার নাম প্রেগনেন্সি ইন্ডিউজড হাইপারটেনশন। গর্ভাবস্থায় প্রতিদিন হাইপারটেনশন কমানোর ওষুধ খাওয়া মোটেও উচিত নয়।
গর্ভবতীর করণীয়
গর্ভাবস্থায় হাইপারটেনশনের সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করুন। আপনার যদি আগে থেকেই হাইপারটেনশন থাকে, তাহলে চিকিৎসককে জানান। তিনি যদি মনে করেন, তাহলে আপনার ওষুধ বদলে দেবেন। এছাড়া গর্ভাবস্থায় থাকাকালীন প্রতিদিন নিজের রক্তচাপ চেকআপ করুন। ২৮ সপ্তাহ পর্যন্ত মাসে একবার করে চেকআপ করুন। এরপর ২৮ থেকে ৩৬ সপ্তাহের মধ্যে মাসে দু’বার করে চেকআপ করুন। তারপর ৪০ সপ্তাহ থেকে প্রতি সপ্তাহে চেক করতে থাকুন।
হাইপারটেনশন বুঝবেন যেভাবে
গর্ভাবস্থায় হাইপারটেনশনের সমস্যা থঠশলে অনেক ধরনের লক্ষণ দেখা দেয়। লক্ষণ থেকেই বোঝা যায় আপনি হাইপারটেনশনের শিকার। এ সময় পা ফুলে যাওয়া খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু যখন দেখবেন, আপনার পা ফোলা কোনোভাবেই কমছে না, চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে তখন মোটেও দেরি করা যাবে না। অনেকেই পা ফুলে যাওয়া অগ্রাহ্য করে ভাবেন এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। এছাড়া মাথাব্যথা, এসিডিটি, হাতের করতল ফুলে যাওয়া এবং দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার সমস্যাও এ রোগের লক্ষণ।
প্রতিরোধ করবেন যেভাবে
হাইপারটেনশনের শিকার হলে লবণ খাওয়া কমিয়ে দিন। লবণ রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। এটি বেশি খেতে থাকলে হাইপারটেনশনও বেড়ে যায়। সময়মতো এ রোগের ওষুধ খেতেত হবে। রক্তচাপ চেক করে দেখতে হবে। তাহলে আর কোনো চিন্তা থাকবে না।
medicalbd সাস্থের সকল খবর।
