কলার পুষ্টিগুণ

কলার পুষ্টিগুণ

কলা এদেশের অত্যন্ত জনপ্রিয়, সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর ফল যা সারা বছরই পাওয়া যায় এবং দামে তুলনামূলকভাবে সস্তা। বাংলাদেশের উৎপাদিত ফলের মধ্যে শতকরা ৪০ ভাগ হল কলা। এদেশে ৩২ জাতের কলা চাষ হয়। কলা সহজ পাচ্য, সহজে নষ্ট হয় না এবং ধোয়ার প্রয়োজন নেই। ১০০ গ্রাম পাকা কলায় রয়েছে জলীয় অঅংশ ৭০%, শ্বেতসার ২৭%, প্রোটিন ১.৫%, ফ্যাট ০.৩%, আঁশ আরো কিছু ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ থাকে যেমন ফসফরাস ২০০ পিপিএম, নিয়াসিন ৭.০ পিপিএম, ভিটামিন সি১২০ পিপিএম, বিটা ক্যারোটিন ০.৫ পিপিএম।

কলাতে কোন স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং কোলেস্টেরল না থাকায় বরং প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম থাকায় হৃদরোগীদের জন্য উপকারী। গবেষনায় দেখা গেছে, কলা মলদ্বারের ক্যান্সার, ফুসফুসরে ক্যান্সার এবং মুখের ক্যান্সারের প্রতিরোধক হিসাবে কাজ করে। পাকা কলার পাশাপাশি কাঁচা কলাতেও রয়েছে অনেক গুণ। কাঁচা কলাতেও রয়েছে অনেক গুণ। কাঁচা কলা রোগীর পথ্য হিসাবে রান্না করা হয়। কারণ, এটি সহজ পাচ্য পুষ্টিকর সবজি। শিশুদের পাতলা পায়খানায় কাঁচা কলা দিয়ে খিচুরি রান্না করে খাওয়ালে আরোগ্য হয়। বড়দেরও ডায়রিয়া এবং রক্ত আমাশয়ে কাঁচ কলা উপকারী। প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যোপযোগী কাঁচা কলাতে যে সমস্ত পুষ্টি উপাদান রয়েছে তা হলো জলীয় অংশ ৭৮%, শর্করা ১৭.৩৪ গ্রাম, প্রোটিন ২.৬০ গ্রাম, চর্বি ০.০২ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ১১.৩০ মি. গ্রাম, লৌহ ০.৪০ গ্রাম, ভিটামিন বি১০.০৯ মি. গ্রাম, ভিটামিন বি২ ০.০৬ মি. গ্রাম, ভিটামিন ৪.৩৩ মি. গ্রাম, খাদ্য শক্তি ৮৩ ক্যালরি। কলা সর্বদা হাতের কাছেই পাওয়া যায়। পুষ্টি ও খনিজের চাহিদা পূরণে আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় কলা অবশ্যই থাকা উচিত।

আরও পড়ুনঃ মিষ্টি আলুর পুষ্টিগুন।

গণ সচেতনতায় ডিপিআরসি হসপিটাল লিমিটেড

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*