অ্যামিবিক হেপাটাইটিসঃ
লিভারের নানান অসুখের মধ্যে অ্যামিবিক হেপাটাইটিস অন্যতম। অ্যামিবা নামক জীবাণু এই রোগ সৃষ্টি করে।
সিগেলা নাম এক ধরনের ব্যাক্টেরিয়া থেকে হতে পারে ব্যাসিল্যারি ডিসেন্ট্রি। খাবার বা জলবাহিত হয়ে অ্যামিবাগুলো শরীরে শরীরে প্রবেশ করে, তারপর তা পাকস্থলি, ক্ষুদ্রান্ত্র হয়ে বৃহদন্ত্রে পৌছায়। সেখানে তারা পাকাপাকিভাবে বাসা বাঁধে। শরীরে অ্যামিবা বা ব্যাক্টেরিয়া প্রবেশ করার পাঁচ-ছয়দিনের মধ্যে নানা লক্ষণ প্রকাশ পায়। যেমন- খিদে কম যায়, পেটে গ্যাস তৈরি হয়, তলপেটে ব্যথা বোধ হয়, কখনোবা জ্বর আসে। বারবার পায়খানায় যাবার ইচ্ছা, অরুচি ভাব, শরীরে দুর্বলতা ইত্যাদি দেখা যায়।
কোষ্ঠকাঠিন্যঃ
এর জন্য মূলত খাবার দাবার দায়ী থাকে। বেশি পরিমাণে শাক সবজি ও ফল না খাওয়া, ময়দার তৈরি জিনিস শরীরে বেশি গ্রহণ করা, জল কম খাওয়া ইত্যাদি কোষ্ঠকাঠিন্য ডেকে আনে।
কোষ্ঠ কাঠিন্যের ফলে পায়খানা ঠিকমতো পরিষ্কার হয় না। পেটে ব্যথা, গা-গোলানো ভাব, খিটখিটে মেজাজ, খিদে কমে যাওয়ার মতো রোগের সৃষ্টি হয়। হাইডাটিট নামে এক প্রকার কৃমি লিবারে গিয়ে বিপাকক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করে। এর ফরে লিভারে পুঁজ হয়ে কঠিন রোগের সৃষ্টি হয়্ খাদ্যে বিষক্রিয়া কিংবা নানা ধরনের ওষুধ থেকেও লিভারের অসুখ হয়।
medicalbd সাস্থের সকল খবর।

