হার্টের বাইপাস অপারেশন যা জানা প্রয়োজন

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
  • 224
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
    224
    Shares

হার্টের বাইপাস অপারেশন যা জানা প্রয়োজন

১৯২৫ সাল। লন্ডন হাসপাতাল। হেনরি সটটার। সব কটি শব্দ মিলে যা উপস্থাপিত হলো তা ইতিহাস। সিদ্ধান্ত এলো-শরীরের আর যেকোনো অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মতো হৃৎপিন্ডকেও প্রয়োজনে কাটাছেঁড়া করা যাবে। এই প্রক্রিয়াকে সত্যিকার অর্থে জীবন দান করেন জন হেইশান গিবন ১৯৫৩ সালে। গিবন পৃথিবীর প্রথম সফল বাইপাস অপারেশনটি করেন। এই অপারেশনের পরই বদলে যায় দৃশ্যপট। করনারি আর্টারি ডিজিজের সার্জিক্যাল রিভাসকুলারাইজেশন, সম্ভবত এখনো পৃথিবীর সবচেয়ে বহুল আলোচিত অপারেশন। ১৯৬০ সালের দিকে এই অপারেশন আধুনিক চেহারা পায়। শুরু হয় করনারি আর্টারি বাইপাস প্রাফটিং সার্জারি, যা সংক্ষেপে বাইপাস অপারেশন নামে পরিচিত।

বাইপাস সার্জারি বা করনারি আর্টারি বাইপাস গ্রাফটিং (CABG)

এনজিওগ্রাম পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায়, করনারি আর্টারির মধ্যে কতগুলো ব্লক আছে এবং ব্লকগুলোর অবস্থান কোথায় বা কত পারসেন্ট। সংখ্যায় যদি বেশি ব্লক থাকে; তিন বা তিনের বেশি এবং ব্লকের পার্সেন্টেজ কখনো কখনো ১০০% এবং যেখানে এনজিওপ্লাস্টের মাধ্যমে (stent) বা রিং প্রতিস্থাপন করা সম্ভব নয় অথবা রক্তনালীর অনেক জায়গা বন্ধ হয়ে আছে তখন সেখানে বাইপাস অপারেশন বা করনারি আর্টারি বাইপাস গ্রাফটিং করা হয়।

হার্টের করনারি সম্পর্কিত কোনো সমস্যা বা হার্টের রক্তপ্রবাহ কমে গেলে, এই অপারেশনের মাধ্যমে রক্তপ্রবাহ স্বাভাবিক করা হয়। এই বাইপাস করার জন্য সাধারণত রোগীর নিজের পা, হাত অথবা বুকের রক্তনালী ব্যবহার করা হয়। অপারেশনের জন্য হাসপাতালে থাকতে হয় ৭ থেকে ১০দিন। বাইপাস সার্জারিতে সাধারণত ৪ থেকে ৬ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হয়ে থাকে।

কেন এই বাইপাস সার্জারি

বুকের ভেতর সযত্নে লালিত যে মাংসপিন্ডটি মাতৃগর্ভ থেকে টিকটিক করে চলেছে, ধুকধুক করে রক্ত সরবরাহ করে চলছে সারা শরীরে, সেটাই হৃৎপিন্ড। শরীরের আর সব অঙ্গপ্রতঙ্গে যেমন রক্ত সরবরাহ করছে তেমনি হৃৎপিন্ড নিজেই নিজেকে রক্ত সরবরাহ করে। হৃৎপিন্ডের কোষগুলো যেসব ধমনীর মাধ্যমে রক্ত পায়, সেগুলোকে আমরা করনারি ধমনি (Coronary Artery) বলি।

শারীরিক গঠনবিচিত্রতার জন্য দেখা যায়, এসব করনারি আর্টারির মধ্যে অন্তঃসংযোগ (Anastomoses) তুলনামূলক কম। বিভিন্ন কারণে এসব করনারি আর্টারি বন্ধ হতে পারে, তবে এর মধ্যে অন্যতম হলো- রক্তনালীর ভেতর চর্বি জমে রক্তনালী সরু হয়ে যাওয়া। ধূমপান, অধিক চর্বিজাতীয় খাদ গ্রহণ, রক্তের কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিসসহ আরো অনেক কারণেই এমন হতে পারে। বন্ধ হয়ে যাওয়া হার্টের রক্তনালীগুলো যদি স্টেন্ট কিংবা রিং পরিয়ে অথবা এনজিওপ্লাস্টি করে ভালো করা সম্ভব না হয়, তাহলে সিএবিজি বা বাইপাস অপারেশন করা উত্তম চিকিৎসা।

করনারি আর্টারিতে চর্বি জমে সঙ্কুচিত হলেই যে অপারেশন লাগবে তা নয়। করনারি এনজিওগ্রাম পরীক্ষার ফলাফলের ওপর নির্ভর করে অপারেশন লাগবে কি না। করনারি এনজিওগ্রাম পরীক্ষার ফলাফল, অভিজ্ঞ হৃদরোগ চিকিৎসক, সার্জন অথবা হার্ট টিমের মাধ্যমে নিরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত।

কী করা হয় বাইপাস অপারেশনে

যেসব করনারি রক্তনালীতে ব্লক আছে সেসব স্থানে শরীরের অন্য ধমনি ও শিরা সংযুক্ত করা হয়। এটাই বাইপাস অপারেশন। মূলত এই রক্তনালীগুলো ১-৩ মিলি মিটারের মতো সরু। অপারেটিং মাইক্রোস্কোপ ছাড় খালি চোখে সেই অপারেশন করা সম্ভ নয়।

এ অপারেশনে হার্টের ধমনির যেসব জায়গায় ব্লক আছে,এর পরবর্তী জায়গায় আরেকটি রক্তনালী লাগিয়ে দেয়া হয়। ফলে ব্লক-পরবর্তী স্থানে, ধমনির স্বাভাবিক গতিতে রক্তপ্রবাহ থাকে। এ নতুন রক্তনালীটি বুকের ভেতর থেকে নেয়া হয়। আবার পায়ের শিরা বা হাতের ধমনিও এ কাজে ব্যবহার করা হয়। এ জন্য বাইপাস অপারেশনের রোগীর হাতে ও পায়ে কাটা দাগ থাকতে পারে।

সাধারণত অপারেশনের শুরতে একটা কার্ডিও-পালমোনারি বাইপাস Cardio pulmonary bypass সার্কিট তৈরি করা হয়। অপারেশনের সময় যা হৃৎপিন্ডের কাজে সহায়তা করে। এটি একটি জটিল পক্রিয়া।

এ ছাড়া প্রযুক্তির উৎকর্ষতার সাথে সাথে বাইপাস অপারেশনেও এসেছে আধুনিকতার ছোঁড়া। কোনো রকম পাম্প মেশিনের সাহায্য ছাড়াই হৃৎপিন্ডকে সচল (Beating Heart) রেখে এই অপারেশন করা সম্ভব। তবে প্রযুক্তিগত দিক থেকে ভিন্ন হলেও দু’টি পদ্ধতিও বাইপাসের ফলাফল প্রায় একই রকম। বিভিন্ন গবেষণায় রিপোর্টে তাই কোনো একটি পদ্ধতিকে অন্যটি হতে উন্নত (সুপেরিয়র) দেখানো হয়নি।

বাইপাস অপারেশনের প্রয়োজনীয় তথ্য

সাধারণত যেসব করনারি রক্তনালীতে ব্লক হয়, তা শরীরের অন্যান্য শিরা অথবা ধমনি দিয়ে প্রতিস্থাপিত করা হয়। এগুলোক গ্রাফট বলে । অনেক ক্ষেত্রেই গ্রাফটের ব্যবহারের ওপরে বাইপাস অপারেশনের সফলতা নির্ভর করে। একজন সার্জন কোন গ্রাফট নেবেন (Selection of conduit) তার ওপর অবশ্যই অপারেশন-পরবর্তী সুস্থতা নির্ভর করে।

ধমনি গ্রাফট বা আর্টারি কনডুইট সাধারণত ব্যবহার করা হয়। বুকের ভেতর থেকৈ ধমনি গ্রাফট নেয়া হয় প্রায় প্রতিটি বাইপাস অপারেশনে। বুকের ধমনি দ্বারা অপারেশন (Platinum bypass) করে শতকরা ৯০ ভাগ লোক ২০ বছরের বেশি ভালো থাকেন।

বাইপাস অপারেশনে আর একটি গ্রাফট হলো শিরা গ্রাফট (Venous graft)। বলা হয়, শতকরা ৫০-৬০ ভাগ লোকের ক্ষেত্রে এ ধরনের গ্রাফট ১০ বছরের মতো কর্মক্ষম থাকে। আর ১০-১৫ ভাগ ক্ষেত্রে এটি এক বছরের মধ্যে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ধমনি গ্রাফটের ক্ষেত্রে এসব সমস্যা নেই বললেই চলে। তবে ধমনি ব্যবহারের কিছু সীমাবন্ধতা রয়েছে। যেমন-ডায়াবেটিক রোগীর ক্ষেত্রে বুকের দু,টি ধমনি ব্যবহার করা ঠিক নয়। বাইপাস অপারেশনের আগে আপনার সার্জনের সাথে কথা বলুন। দীর্ঘমেয়াদি ও সফল অপারেশন নির্ভর করে রোগী, রোগের প্রকার উপযুক্ত গ্রাফট সিলেকশনের ওপর। তাই অপারেশনের আগেই জেনে নিন, আপনার অপারেশনে কী ধরনের গ্রাফট ব্যবহৃত হচ্ছে।

অপারেশন ভীত ও ঝুঁকি

বাইপাস অপারেশনের মূল সমস্যা হলো রোগীর বুক কাটতে হয় এবং শরীরে বড় কাটা দাগ থাকে। এ অপারেশনটি পুরো অজ্ঞান করে করা হয়। তবে এখন হার্টের অপারেশন অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় সহজ হয়ে গেছে। এই অপারেশনে এখন মৃত্যুঝুঁকি নেই ব ললেই চলে। উন্নত বিশ্বের মতো আমাদের দেশেও উন্নত বিশ্বের মতো আমাদের দেশেও উন্নত প্রযুক্তি ও দক্ষ কার্ডিয়াক সার্জনদের সমন্বয়ে প্রতিনিয়ত এ অপারেশন করা হয়ে থাকে।
অপারেশন মানেই কোন না কোন জটিলতার ঝুঁকি। অপারেশন করার আগেই এই জটিলতা সম্পর্কে আপনি জানতে পারেন মৃত্যুঝুঁকিসহ কী কী কমপ্লিকেশন হতে পারে তা নির্ণয় করার জন্য মূলত দুই ধরনের রিক্স অ্যাসেসমেন্ট সিস্টেম রয়েছে। এর একটি হলো ইউরো স্কোর। এ অনলাইন স্কোরে সিস্টেম থেকে রোগী ও চিকিৎসকরো সহজেই বাইপাস অপারেশন থেকে যে কারো মৃত্যুঝুঁকি নির্ণয় করতে পারবেন।

হার্ট অপারেশনৈর ঝুঁকি নির্ণয়ের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য স্কোরে সিস্টেম হচ্ছে- এসটিএস রিস্ক ক্যালকুলেটর। সাত বছরের গবেষণার পর ২০০৭ সালে প্রকাশিত এই সিস্টেম এখন পর্যন্ত সাত লাখ ৭৭ হাজার ৮৮১ জন বাইপাস রোগীর ক্ষেত্রে প্রায় নির্ভূল পেডিকশন দিয়েছে। পৃথিবীর ৮১৯ টি হাসপাতালে ব্যবহারের পর তা সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয় ২০১২ সালে। বাইপাসসহ প্রায় সব ধরনের হার্টের অপারেশনের ঝুঁকি নির্ণয় করতে এই রিস্ক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যায়। অনলাইনে সহজেই যে কেউ এটি দেখতে পারবেন। তবে সঠিক তথ্য ইনপুটের জন্য রোগী এবং রোগ সম্পর্কে কিছুট ধারণা লাগবে। হার্ট অপারেশনের আগে ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন হোন। সার্জ, রোগী ও রোগীর স্বজন-সবার সচেতনতার প্রয়োজন আছে।

বুক না কেটে হার্টের অপারেশন

বুক না কেটেই হার্টের অপারেশন করা যায়। কিহোল অপারেশন নামের এই সার্জারিতে বুকের এক পাশে একটি ছোট্র ছিদ্র করে হার্টের অপারেশন করা যায়। বুক না কেটে অপারেশন করার ক্ষেত্রে রোগীর কষ্ঠ কমে যাওয়ার পাশাপাশি হাসপাতালে অবস্থানের সময়ও কমে যায়।

সাধারণত হার্টের অপারেশনে হাড়সহ বুক পুরোপুরি দুই ভাগ করে হৃদযন্ত্র অচল করে অপারেশন করা হয। অপারেশন চলাকালীন পাঁচ থেকে ছয় ঘন্টা সময় মেশিনের সাহায্যে শরীরের রক্ত চলাচল অব্যাহত রাখা হয়। পরবর্তীকালে হার্ট চালু করে বুক জোড়া দেয়া হয়। বুকের কাটা ও সেলাইয়ের দাগ বুহু দিন ধরে বহন করতে হয়। বুক কাটা অপারেশনে অনেক রক্তের প্রয়োজন হয়।

এখন হার্টের অপারেশন অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় সহজ হয়ে গেছে। এই অপারেশনে এখন মৃত্যুঝুঁকি নেই বরলেই চলে। তবে বুক কাটা হার্টের অপারেশনে রোগীর ব্যাপক ভোগান্তি রয়েছে। সে তুলনায় বুক না কেটে অপারেশন করলে রোগীরা তিন চার দিনে সুস্থ হয়ে বাড়ি চলে যেতে পারে। আবার মাত্র দুই ইঞ্চির ছোট্র একটি দাগ থাকে, তাও খুব দ্রুত মিলিয়ে যায়। কয়েক মাসের মধ্যে রোগীর শরীরে অপারেশনের কোনো চিহ্নই থাকে না।

তবে হার্টের সব অপারেশনও কিহোল পদ্ধতিতে করা সম্ভব নয়। শুধু হার্টর এক পাশে যদি ব্লক থাকে তাহলেই এই সুবিধা দেয়া যায়। আবার ব্লকের সংখ্যাও তিনটির বেশি হলে কিহোল পদ্ধতি ব্যবহার করা কষ্টকর। নতুন এই পদ্ধতিতে অপারেশনের সুবিধা অনেক। উন্নত বিশ্বে কিহোল অপারেশন হার্টের চিকিৎসায় অভাবনীয় উন্নতি ঘটিয়েছে। আমাদের দেশেও এখন এই পদ্ধতিতে হার্টের অপারেশন হচ্ছে। কিন্তু এই অপারেশনে কিছু বাড়তি খরচ হয়।

বাইপাস অপারেশনের পর

হার্ট সার্জারির পর সাধারণত রোগীরা দুই ধরনের মনোভাব পোষণ করেন। বেশির ভাগ মনে করেন, সার্জারি হয়ে গেছে তাই আর কোনো রোগ নেই। তাই কোনো নিয়ম মানার প্রয়োজন নেই। বাকিরা মনে করেন, সার্জারি করার পর আর স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ নেই। অসুস্থ হিসেবেই সারা জীবন কোনো রকমে পার করতে হবে-ওষুধ সেবনই একমাত্র ভরসা, পরিশ্রমের কাজ আর করা যাবে না। কিন্তু বাস্তবে ব্যাপারগুলো ঠিক এমন নয়।
বাইপাস অপারেশন করা হয় যাতে রোগীর আরেকটি হার্ট অ্যাটাক না হয়। সার্জারির মাধ্যমে রোগের উপসর্গ, যেমন-বুকে ব্যথা বা শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি কমে। এটা চিকিৎসার একটি ধাপ মাত্র। বাইপাস সার্জারির মতো চিকিৎসার মাধ্যমে রক্তনালীর ব্লক হতে পারে। তাই সার্জারি-পরবর্তী সময়ে আবার রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝু৭কিমুক্ত থাকে ও হার্টকে আরো ক্ষতির হাত থেকে বাঁচাতে অনেক কিছু মেনে চলতে হয়।

জীবনযাত্রা পরিবর্তনের মূল ধাপ হচ্ছে রিস্ক ফ্যাক্টর বা ঝু৭কির বিষয়গুলো থেকে নিজেকে মুক্ত রাখা। রিস্ক ফ্যাক্টরের মধ্যে বংশগত বা জিনগত কারণ ও পরিবেশগত কারণগুলো দূর করা যায় না। কিন্তু সতর্ক থাকলে অনেক ক্ষেত্রেই ভালো থাকা সম্ভব। এ ছাড়া অন্য ঝুঁকির ফ্যাক্টরগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, যেমন-খাদ্যাভাস। শারীরিক ওজন আরেকটি নিয়ন্ত্রণের বিষয়। বয়স ও উচ্চতা অনুযায়ী যার যেটি আদর্শ ওজন হওয়া উচিত তা বজায় রাখতে হবে। এ জন্য একজন পুষ্টিবিদের সাথে পরামর্শ করে খাদ্য তালিকা ঠিক করা উচিত।

বাইপাস অপারেশনের পর শুধু বিশ্রামে থাকলে বিপদে হতে পারে। প্রথম ছয় সপ্তাহ অবশ্য আলাদা। এ সময় শারীরিক পরিশ্রম হয় এমন কাজ থেকে বিরত থাকা ও বিশ্রামে থাকা উচিত। এই রিকভারি ফেজে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হাঁটাচলা করতে হবে। এরপর ধীরে ধীরে কাজকর্ম শুরু করতে হবে।প্রতিদিন ৩০-৪০ মিনিট করে স্বাভাবিক গতিতে হাঁটতে হবে। সপ্তাহে কমপক্ষে পাঁচ দিন। তিন মাস পর হাঁটা ছাড়াও সাইকেল চালানো, সাঁতার কাটা ইত্যাদি করা যেতে পারে। তবে জিমে গিয়ে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ব্যায়াম করা উচিত হবে না। যেকোনো ব্যায়াম শুরুর আগে সংশ্লিষ্ট ডাক্তারের সাথে অবশ্যই পরামর্শ করে নেবেন।

পরবর্তীকালে হার্টের সমস্যা প্রতিরোধের জন্য

হার্টের সমস্যা এড়াতে হলে বাইপাস সার্জারির পর কয়েকটি জিনিস অবশ্যই মেনে চলা উচিত-
চিকিৎসকের দেয়া ওষুধ নিয়মিত নিতে হবে। ধূমপান নিষেধ। স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে। রোজ কিছু হালকা কাজকর্ম, ব্যায়াম বা হাঁটাচলা করা উচিত। ব্লাডপ্রেসার (রক্তচাপ), কোলেস্টেরল ও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। ব্লাড সুগার (মধুমেহ) থাকলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ স্বাভাবিক রাখতে হবে ও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ওষুধ নিতে হবে।

আরও পড়ুনঃ হার্ট ব্লক কি?

গণ সচেতনতায় ডিপিআরসি হসপিটাল লিমিটেড

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

seventeen + eleven =

x

Check Also

পুরুষের বন্ধ্যাত্ব রোগে চিকিৎসা

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন153         153Sharesযেসব পুরুষ বন্ধ্যত্বের সমস্যায় ভোগেন তাদের অন্তত ...

শিশু ওয়ার্ড না থাকায় আক্রান্ত শিশুদের মহিলা ওয়ার্ডে রেখে চলছে চিকিৎসা

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন60         60Shares জাহিদুর রহমান তারিক, ঝিনাইদহঃ ঝিনাইদহ জেলার ...

তত্বাবধায়কের প্রচেষ্ঠায় পাল্টে গেছে নওগাঁ সদর হাসপাতালের চিত্র !

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন49         49Sharesজি,এম মিঠন, নওগাঁ: নওগাঁ সদর হাসপাতালে লেগেছে ...

কাঁচা কলার যত গুণ

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন21         21Sharesডা. শিব্বির আহমেদ: পেটের অসুখে উপকার পাওয়া ...

বিশ্ব এইডস দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন          আসাদুল ইসলাম সবুজ, লালমনিরহাট: ১লা ডিসেম্বর বিশ্ব ...

জিয়া পরিবারের দুঃসময়ের বন্ধু নোয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন ডা: দোলন

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন13         13Sharesমোহাম্মদ আলাউদ্দিন, নোয়াখালী: বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ...