
শিশুদের মৃগীরোগ চিকিৎসায় করণীয়ভ
সাধারণত যে উপসর্গ নিয়ে মৃগীরোগী আক্রান্ত শিশুরা চিকিৎসকের কাছে আসে তা হলো খিচুনি। তবে একটি মাত্র খিচুনি দিয়ে মৃগীরোগ শনাক্ত করা যাবে না। মৃগীরোগ বলতে হলে ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে দুটি খিঁচুনি হতে হবে যার সাথে জ্বর, আঘাত অথবা অন্যান্য কারণ যা মস্তিষ্ককে উত্তেজিত করে তা সম্পর্কযুক্ত।
লক্ষণগুলো
শরীরের যে কোনো অংশ যেমন- হাত, পা, ঠোঁট, চোখের পাতা নড়া। হঠাৎ একদিকে অপলকে তাকিয়ে থাকা। শরীর ঘনঘন ঝাঁকি খাওয়া শরীরের যে কোনো অংশ শক্ত হয়ে যাওয়া। শরীরের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যাওয়া। হঠাৎ মুখ থেকে লালা পড়া। ঘনঘন অজ্ঞান হয়ে যাওয়া। ঘুমের মধ্যে বা তন্দ্রচ্ছন্ন অবস্থায় শরীর ঝাঁকিয়ে যাওয়া। ঘুুমের মধ্যে বা তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় শরীর ঝাঁকি খাওয়া।
মৃগীরোগ শনাক্তকরণ
মৃগীরোগ ডায়াগনোসিস করার জন্য মূলত অভিভাবকদের দেয়া খিচুনির বর্ণনার ওপর নির্ভর করা হয়। আজকাল বহু রোগী খিচুনির সময়টিকে ভিডিও করে নিয়ে আসেন, মোাবইল ফোনের বহু ব্যবহারের জন্য যা সহজতর হয়েছে। এমন একটি ভিডিও খিঁচুনির প্রকৃতি নির্ধারণে সাহায্য করে। মৃগীরোগ শনাক্তকরণে সাহায্য করে এমন কয়েকটি পরীক্ষা হলো:
ইইজি
মস্তিষ্কের সিটি স্ক্যান
এমআরআই ইত্যাদি এখন উল্লেখযোগ্য।
বাংলাদেশের বেশিরভাগ এলাকাতেই উপরোক্ত পরীক্ষাগুলোর ব্যবস্থা নেই অথবা নেই যথাযথ রিপোর্টিং করার মতো দক্ষ চিকিৎসক। তাই বহুক্ষেত্রে চিকিৎসকরা লক্ষণ শুনেই চিকিৎসা শুরু করেন। এক্ষেত্রে সুবিধামতো একটি ইইজি করিয়ে নেয়া উচিত।
মৃগীরোগের চিকিৎসা
চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা শতকরা ৮০ ভাগ মৃগীরোগই চিকিৎসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। শিশুদের মৃগীরোগ চিকিৎসার জন্য বহু ব্যবহার হয় এমন কিছু ওষুধের নাম নিম্নে উল্লেখ করা হলো-
ফেনোবারবিটন
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়াট
কারবামাজেপিন ইত্যাদি।
এছাড়া আধুনিক যেসব ওষুধ ব্যবহার করা হয়ে থাকে সেগুলো হলো- লিভেটাইরেসিটাম, টপিরামেট, অক্সকারবাজেপিন, ক্লোনাজিপাম ইত্যাদি।
medicalbd সাস্থের সকল খবর।
