
মা বোনদের স্তন সমস্যা
শতকরা ৩০ ভাগ মহিলা জীবনের কোনো না কোনো সময়ে স্তন সমস্যায় ভোগেন। ব্যথা ও গোটা সবচেয়ে বেশি সমস্যা। সমস্যা যাই হোক প্রথম কাজ হলে এই সমস্যা ক্যান্সারের জন্য নয়, তা প্রমাণ করা।
সমস্যাগুলো:
১. ব্যথা ২. গোটা ৩. বোঁটা থেকে রস নিঃসরণ ৪. বোটা ভিতরে ঢুকে থাকা ৫. ব্যথামুক্ত গোটা ধীরে ধীরে বড় হওয়া। এই সব সমস্যার বেশির ভাগ করণ হলো-স্তনের অটোডায়নামিক কর্মতৎপরতার বিচুৎতি সংক্ষেপে (এএনডিআই)
স্তনের জন্মগত ত্রুটি:
১. স্তন না থাকা, ( একটি/দুটি সাথে বুকের মাংসপেশিও না থাকতে পারে।) ২. দুইয়ের অধিক স্তন থাকা ৩. নবজাতকের স্তন বড় হওয়া অথবা রস দুধ বের হওয়া। ৪. স্তন অতিমাত্রায় বড় হওয়া।
স্তনের আঘাত জনিত ত্রুটি:
১. রক্তের জমাট ২. স্তনের মৃতপ্রায় চর্বির জমাট
স্তন প্রদাহ:
১. অনুজীবজনিত প্রদাহ- ক) একিউট প্রদাহ খ) ক্রোনিক প্রদাহ ২. স্তন যক্ষ্মা ৩.অ্যাক্টিনোমাইকেসিস
স্তন বোঁটা থেকে রস নিঃসরণ:
১. দুগ্ধনালী স্ফীত হয় রক্ত নিঃসরণ ক্যান্সারের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়। সেখানে রস জমা হয়,পরে বের হয়ে আসে। এটা বিভিন্ন রঙের হতে পারে। এ ক্ষেত্রে সার্জারী বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেবেন।
স্তন প্রদাহ:
এক প্রকার অুনুজীব দ্বারা স্তন প্রদাহ সাধারণত সংঘটিত হয় বেশির ভাগ ক্ষেত্রে-দুগ্ধবতী মা আক্রান্ত হন।
উপসর্গ: ব্যথা, লাল হওয়া, ফুলে যাওয়া। স্তর: টিস্যু প্রদাহ, পুঁজ হওয়া
চিকিসাৎ: টিসুৎ প্রদাহ স্তনে ওষুধ ব্যবহার করা যায়। ৪৮ ঘন্টার মধ্যে প্রশমিত না হলে বিশেষজ্ঞ সার্জনের পরামর্শ নিতে হয়, পরবর্তী চিকিৎসা সার্জারী। মানবদেহে হরমনের প্রভাবে পুরো রিপ্রোডাক্টিব লাইফ স্তনে বিভিন্ন পরিবর্তন সংঘটিত হয়। নবজাতকের জন্য দুধ তৈরি এর লক্ষ্যে ও উদ্দেশ্য, এই পরিবর্তন স্বাভাবিক কিন্তু এর বিচ্যুতি আছে। যাকে বলে অ্যাবারেশন অব নরমাল ডেভেলমেন্ট অ্যান্ড ইনভলুশন।
বিচ্যুতির জন্য-১. সিস্ট হতে পারে( পরিবেষ্টিত তরল), ২.ফাইব্রোসিস (প্রতিস্থাপিত তন্তু), ৩. পেপিলোমেটোসিস (আঙুলের মতো পরিবর্ধিত তল)
উপসর্গ: গোটা, স্তন ব্যথা। স্তন ব্যথা: মাসিকের সাথে সংশ্লিষ্ট হতে পারে এবং নাও হতে পারে। মাসিকের সাথে সংশ্লিষ্ট নয় এমন ব্যথা হাড় ও মাংসপেশি সংশ্লিষ্ট হতে পারে অথবা স্তন প্রদাহের জন্য হতে পারে।
চিকিসাৎ: বিশেষজ্ঞ সার্জনের পরামর্শ নেয়া। স্তন গোটাকে প্রথমেই ক্যান্সার নয়-প্রমাণ করতে হবে এবং সঠিক আশস্ততা প্রদান করতে হবে। পরবর্তীকালে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ রাখতে হবে মাসিকের ভিন্ন ভিন্ন সময়ে। বিশেষজ্ঞ সার্জনকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে এই ব্যথা ক্যান্সারজানিত নয়।
ক. ব্যাথা (মাসিকের সাথে সংশ্লিষ্ট)
- সঠিক আশস্ততা
- স্তনকে সাপোর্ট দিতে হবে(ব্রা ব্যবহার)
- ফিটিং ব্রা ও সার্পোটিং ব্রা দিনে। রাতে আরামদায়ক নরম ব্রা।
- কেফিন বর্জন।
- ওষুধ সেবন(চিকিৎসকের পরামর্শে)
খ. ব্যথা : মাসিকের সাথে সশ্লিষ্ট
- হাড় ও মাংসপেশির ব্যথা হতে পারে।
- পরীক্ষার মাধ্যমে ক্যান্সার নেই প্রমাণ করতে হবে।
- ওষুধ (ব্যথা উপশমকারী চিকিৎসকের পরামর্শে)
medicalbd সাস্থের সকল খবর।
