ফার্মের মুরগির মাংসে সাবধান

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
  • 549
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
    549
    Shares

ফার্মের মুরগির মাংসে সাবধান

আমাদের ঘরে কিংবা রেস্তোরাঁয়, মুরগির মাংস প্রায় প্রতিদিনই খাওয়া হয়। বর্তমানে আমাদের দেশে ফার্মের মুরগি, আমিষের চাহিদা মেটাচ্ছে। তবে সাধারণভাবে পালন করা মুরগির চাইতে ফার্মে বড় করা মুরগির মাংসে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবন অনেকগুন।

সরকারি/বেসরকারি অনেক সংস্থা এই বিষয়ের উপর প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, মুরগির মাংসের চাহিদা বেশি থাকায় খামারীরা উৎপাদন বাড়াতে সম্ভাব্য সকল পন্থা অবলম্বন করছে। কৃত্রিম এই পন্থাসমুহ নিয়ে  আসছে খাদকের জন্য ভয়ঙ্কর স্বাস্থ্য ঝুঁকি।

জেনে নেই কি কি  উপায়ে ব্যবসায়ীরা মুরগীগুলোকে দ্রুত বড় করে তুলছেঃ

অ্যান্টিবায়োটিক

দ্রুত বৃদ্ধির জন্য সাধারণত মানব শরীরে যেসকল অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়, সেসকল অ্যান্টিবায়োটিক মুরগির শরীরে দেওয়া হয়ে। এসব মুরগির মাংস খাওয়া মানব শরীরে বাজে প্রভাব ফেলে, যেমনঃ ঔষধ প্রতিরোধক।  তাই মুরগি কেনার আগে অবশ্যই পর্যবেক্ষণ করে কিনুন। জানুন, এসব দেওয়া হচ্ছে কি না।

বৃদ্ধির জন্য হরমোন

আগেকার মুরগিগুলোর থেকে এখন অনেক চর্বিযুক্ত বড় মুরগি দেখতে পাওয়া যায়। এর কারণ হলো, মুরগিকে বড় করতে বেশির ভাগ সময় হরমোন ইনজেকশন দেওয়া হয়। মুরগির মাংসের মধ্যে থাকা এসব হরমোন মানব শরীরের ক্ষতি করে।

ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমিত

কেবল বিভিন্ন ওষুধ বা হরমোন ব্যবহার করাই নয়, গবেষণায় বলা হয় ৮৯ ভাগ মুরগির বুকের মাংসে ব্যাকটেরিয়ার কারণে সংক্রমিত হয়ে থাকে। বেশির ভাগ মুরগিতে এই ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পায়।

তাই মুরগির মাংস কাটাকাটি বা রান্নার পর ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ প্রতিরোধে হাত ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। মুরগির মাংস ভালোভাবে রান্না করুন। কেনার সময় প্লাস্টিকের ব্যাগে বহন করুন। মুরগির মাংস কাটার পর, রান্নার আগে ভালোভাবে পরিষ্কার করুন।

বিষাক্ত আর্সেনিক

মুরগির মাংসের মধ্যে বিষাক্ত আসের্নিক পাওয়া যায়। এটি মানব শরীরের জন্য ক্ষতিকর। হরমোন ও অন্যান্য ওষুধ ব্যবহারের কারণে মুরগির মাংসে এসব আর্সেনিক পাওয়া যায়।

মুরগির মাংসের গুণগত মান বোঝার জন্য, তা কেমন পরিবেশে প্রতিপালিত হয়েছে সে সম্পর্কে ধারণা উচিত। এই ধারণা পাওয়ার একটি উপসর্গ হল বুকের মাংসে সাদা রেখা রেখা দাগ। মুরগির স্বাভাবিক বৃদ্ধির গতি কৃত্রিম উপায়ে দ্রুত করা হলে এই দাগ দেখা দেয়। এ থেকে আরও বোঝা যায় যে নির্দিষ্ট ওই মুরগির পেশিজনিত সমস্যা ছিল, যার নাম ‘হোয়াইট স্ট্রাইপিং’। এই ধরনের মুরগির মাংসের গুণগত মান কমে এবং চর্বিজাতীয় উপাদানের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে পারে ৮২২ শতাংশ পর্যন্ত। তাই দেখেশুনে মুরগির মাংস কেনা আমাদের উচিৎ।

আরও পড়ুনঃ প্রতিদিন সকালে লেবুপানি পান করে দিন শুরু করা স্বাস্থ্যসম্মত।

গণ সচেতনতায় ডিপিআরসি হসপিটাল লিমিটেড

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

eighteen − seven =