চুলের যত্নে কিছু টিপস।

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
  • 73
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
    73
    Shares

চুলের যত্নে কিছু টিপস।

কলপ কি চুলের জন্য ক্ষতিকর ?

উত্তর: কলপ চুলের জন্য ক্ষতিকর কিনা তা বলার পূর্বে কি কলপ চুলে ব্যবহৃত হচ্ছে তা জানা দরকার। ভেষজ রং দিয়ে যারা চুল কলপ করেন তাদের ক্ষেত্রে চুলে সাধারণত কোন ক্ষতি হয় না। ভেষজের মধ্যে আমলকী, মেহেদী, ভৃঙ্গরাজ ইত্যাদি কলোপের রংয়ের উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
কেমিক্যাল বা কৃত্রিম রংয়ের কারণে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রথমত: অনেকেরই ত্বক বা চুলে কেমিক্যাল কলপ সহ্য হয় না। এসব ক্ষেত্রে কন্টাক্ট ডার্মাটাইটিস নামক এক ধরনের ত্বকের প্রদাহ হতে পারে, বিশেষ করে চুল, ত্বক ও মাথার আশপাশের ত্বকে। তাছাড়া কিছু ও মাথার আশপাশের ত্বকে। তাছাড়া কিছু কেমিক্যাল কলপ ব্যবহারে ক্যান্সারের ঝুকি থাকার বিষয়টি গবেষনা পর্যায়ে রয়েছে।

স্থায়িত্ব ভেদে কলপকে তিন ভাগে ভাগ করা যেতে পারে-

(১) অস্থায়ী কলপ : যা ব্যবহারে এক শ্যাম্পু ধোয়াতেই উঠে যায়

(২) আধপাকা কলপ : গোসলে শ্যাম্পু ব্যবহারের পর কলপটি চুল থেকে চলে যায় এবং

(৩) পাকা কলপ : মাসখানেক গোসল করার পরেও চুলে কালো ভাব থাকতে পারে।পাকা কলপ ব্যবহারে ক্ষতির ঝুঁকি বেশি। এগুলোতে এরোমেটিক এমাইনস বা এরোমেটিক নাইট্রো ডেরিভেটিভস থাকায় তা চুলের গোড়া থেকে রক্তের মাধ্যমে শরীরে শিশে ক্যান্সার জাতীয় রোগ সৃষ্টিতে সহায়তা করতে পার। তাই এ ব্যপারে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।

প্রশ্ন প্রসব পরবর্তী অবস্থায় মহিলাদের চুল পড়ে যায় কেন ?

উত্তর: প্রসব পরবর্তী মহিলাদের চুল পড়া আদৌ কোন স্থায়ী সমস্যা নয়। এটি একটি সাময়িক অবস্থা। শরীরে স্ত্রী হরমোন ইস্ট্রোজেন অন্যান্য কাজের সাথে সাথে নতুন চুল গজাতে সহায়তা করে থাকে। তাই নতুন চুল গজানোর প্রয়োজনে পুরনো চুল পড়ে যায়। তবে পড়ে যাওয়া চুলের ফলিকল থেকে আবার নতুন চুল গজাতে শুরু করে। প্রসবের পর চুল পড়ার সাময়িক সমস্যাটি থেকে কোন রকম দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির সম্ভাবনা কম। সাধারণত ৫/৬ মাসের মধ্যেই এই সমস্যা চলে যায়। তাই এই সমস্যায় চুলপড়া রোধে দুশ্চিন্তাগ্রস্থ মহিলাদের শুধু আশ্বস্ত করা ছাড়া কোন বিশেষ চিকিৎসার প্রয়োজন নেই।

তবে একটি কথা মনে রাখা দরকার,আমাদের দেশে বেশিরভাগ গর্ভবতী মহিলা অপুষ্টি ও রক্তশূন্যতায় ভোগে। সুতরাং গর্ভাবস্থায় ও প্রসবের সময় পর্যাপ্ত ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা হলে প্রসব পরবর্তী চুলাড়া সমস্যা আর থাকবে না।

প্রশ্ন : চুল প্রতিস্থাপন পদ্ধতি কি অত্যন্ত খারাপ ?

উত্তর: টাকের সমস্যার জন্য চিকিৎসা তথা চুল প্রতিস্থাপন পদ্ধতি অত্যন্ত ব্যয়বহুল। উন্নত বিশ্বে স্বাভাবিকভাবেই বেশি খরচ পড়ে, যেমন-আমেরিকায় প্রতি বর্গ ইঞ্চি চুল প্রতিস্থাপন করতে পাঁচ হাজার ডলারের মতো খরচ পড়ে।

প্রশ্ন : মাথা ন্যাড়া করলে কি চুল ভালো জন্মায় ?

উত্তর: এটা একেবারেই ভুল ধারণ। অনেকেই বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে মাথা বেশি বেশি ন্যাড়া করে থাকেন এই আশায় যে, চুলের বৃদ্ধি ভালো হবে ও চুলের গোড়া শক্ত হবে। বাস্তবে কিন্তু তা হয় না। বরং বারে বারে মাথা ন্যাড়া করলে চুলের গোড়ায় অর্থাৎ হেয়ার ফলিকলে ক্ষুরের চোট লেগে ক্ষতি হতে পারে। ফলে চুল আর আগের মত নাও হতে পারে। ভবিষ্যতে অকালে চুল পড়েও যেতে পারে। তাই খুশকি বা উকুনের জন্য কিংবা চুলের বৃদ্ধির জন্য বারে বারে মাথা ন্যাড়া না করে চিকিৎসা করা উচিত। আর মাথা ন্যাড়া করলে গরম কম লাগে এ ধারণাও ঠিক নয়। অন্যদিকে মেয়েদের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, অনেকে মনে করেন যে, চুলের নিচের অংশ বারে বারে কাটলে চুলের বৃদ্ধি ভালো হয়। এটাও ভুল ধারণা। এতে চুলের শেপ সুন্দর করা গেলেও চুল কিন্তু বাড়ে না।

আরও পড়ুনঃ হাঁটার উপকারিতা ও হাঁটার নিয়ম।

গণ সচেতনতায় ডিপিআরসি হসপিটাল লিমিটেড

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

nine + seven =