ঘণ কুয়াশা শীতের তীব্রতা শীত জনিত রোগের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি

ঘণ কুয়াশা শীতের তীব্রতা

আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) ঃ জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে গত তিন ধরে ঘণ কুয়াশায় শীতের তীব্রতা বৃদ্ধির সাথে বৃদ্ধি পাচ্ছে শীত জনীক রোগ বালাই।
গত তিনদিন ধরে সুর্ষের দেখামেলেনি। রাত থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশা অব্যাহত রয়েছে। দিনে আলোর আভা থাকলেও শীতের তীব্রতা ছিল বেশি। শীতে সবচেয়ে শিশু ও বৃদ্ধরা শীত জনিত সর্দি কাশি নিউমোনিয়া সহ স্বাস কষ্টে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। শীতের কারণে আসন্ন মৌসুমে রোপনের জন্য তৈরী ইরি-বোরো ধান বীজতলা , আগাম জাতের আলু সহ অন্যান্য রবিশস্য হুমকির মখে পড়েছে। শীতে বীজতলা নষ্টর বিষয়টি উপজেলা কৃষি অফিসার আকতারুজ্জামান নিশ্চিত করে জানান, ইতমধ্যে মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্তাগন কৃষকদের কাছে গিয়ে তাদের বীজতলা সহ অন্যান ফসল রক্ষার পরামর্শ প্রদান করছেন।

এ ছাড়া লোকজন জরুরী কাজ না থাকলে বাহিরে বেড় হচ্ছেন না। অফিসপাড়াতে ও লোকজনের উপস্থিতি অনেক কম পরিলক্ষিত। শীত বস্ত্রের জন্য দরিদ্ররা উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কমল সহ নির্বাহী অফিসার সালেহ্উদ্দিন আহমেদ এর নিকট ধরণা দিচ্ছেন। দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষজন অনেকটা দুর্ভোগে পড়েছেন।

হাসপাতালে পুর্বের চেয়ে শীত জনিত রোগীদের আগমন বৃদ্ধির নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের জরুরী বিভাগে দায়িত্বরত উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নাজমুল হক।

আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ময়মনসিংহ, মাদারীপুর, সীতাকু-, টেকনাফ, শ্রীমঙ্গল, যশোর ও চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এতে ওইসব অঞ্চলে প্রচ- শীত অনুভূত হচ্ছে। আজ রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা ও সিলেট বিভাগসহ কুমিল্লা, যশোর ও কুষ্টিয়া অঞ্চলের দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি অথবা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা (১-২) ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেতে পারে। দিনের তাপমাত্রা দেশের উত্তরাংশে (১-২) ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে এবং দেশের অন্যত্র তা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাতাসের আর্দ্রতা কমে যাওয়ার কারণে পরিবেশ দূষণ, রাস্তার ধুলা-বালিসহ বাতাসে বিভিন্ন ধরনের ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বেড়েছে। তাতেই শ্বাসকষ্ট জনিত রোগের প্রকোপ বেড়েছে। তবে এসব রোগ নিয়ে আতঙ্কিত না হবার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।তাপমাত্রার পরিবর্তন শরীরের রোগ প্রতিরোধক শক্তিকে আক্রান্ত করে এবং দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। শীতকালে বাতাস অত্যন্ত শুষ্ক থাকে, ফলে প্রশ্বাসের বায়ু প্রয়োজনীয় পরিমাণে আর্দ্র হতে পারে না। এর ফলে জীবাণু শ্বাসতন্ত্রের ভেতরে ঢোকে ও বিস্তার লাভ করে।

এছাড়া এ সময় পানি খাওয়া কম হয় বলে শরীরে পানিশূন্যতা থাকে এবং শ্বসনতন্ত্র থেকে যে প্রতিরোধক ব্রংকিয়াল নিঃসরণ হয়, যা শ্বাসনালির ভেতরের জীবাণুকে বের করে দেয়, তা শুকিয়ে যায়। ফলে জীবাণু বের হতে পারে না এবং সহজেই বিস্তার লাভ করে।

আরও পড়ুনঃ ময়মনসিংহ মেডিকেলে শিশু চুরি।

 

গণ সচেতনতায় ডিপিআরসি হসপিটাল লিমিটেড

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*