১। কোমল ত্বকের জন্য গ্লিসারিনঃ
এক টেবিল চামচ গ্লিসারিনের সাথে দশ টেবিল চামচ পানি মিশিয়ে নিন। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই মিশ্রণটি হাতে ম্যাসাজ করুন। সকালে হাত ধুয়ে ফেলুন।
২। অ্যান্টি এজিং ট্রিটমেন্টের জন্যঃ
একটি ছোট পাত্রে একটি ডিমের সাদা অংশ নিয়ে এর সাথে এক চামচ মধু মিশান। তারপর এর সাথে এক চামচ গ্লিসারিন দিয়ে ভালোভাবে মিশান। মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে আঙ্গুল দিয়ে বৃত্তাকারে ও উপরের দিকে চেপে চেপে ম্যাসাজ করুন। এরপর বিশ মিনিট রেখে কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ডিমের সাদা অংশ অপদ্রব্য দূর করে এবং ত্বককে পরিষ্কার ও নরম করে।
৩। টোনার হিসেবেঃ
এক কাপের এক চতুর্থাংশ পরিমাণ গ্লিসারিনের সাথে দেড় কাপ গোলাপজল মিশান। মিশ্রনটি একটি স্প্রে বোতলে ভরে নিয়ে ব্যবহার করুন।
৪। ময়েশ্চারাইজারঃ
একটি পাত্রে ২০০-২৫০ মিলিলিটার গ্লিসারিন নিয়ে এর মধ্যে দুই টেবিলচামচ তাজা লেবুর রস মিশান।ভালোভাবে মিশিয়ে মিশ্রণটি একটি কাঁচের বোতলে রাখুন। রাতে ঘুমানোর আগে ত্বকে লাগান।
৫। ক্লিঞ্জারঃ
তিন চা চামচ দুধের সাথে এক চা চামচ গ্লিসারিন মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে সারারাত রাখুন। আপনি চাইলে হাত ও পায়েও লাগাতে পারেন। সকালে ধুয়ে ফেলুন।
৬। ব্রণের চিকিৎসায়ঃ
এক টেবিলচামচ গ্লিসারিনের সাথে আধা টেবিলচামচ বোরাক্স পাউডার ও কর্পূর মিশান। এর সাথে এক কাপ বিশুদ্ধ পানি ভালোভাবে মিশিয়ে নিয়ে মিশ্রণটি মুখে লাগান ও কিছুক্ষণ পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আবার কিছুক্ষণ পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।
৭। ব্ল্যাকহেডস দূর করতেঃ
এর জন্য মুলতানি মাটি, আমন্ড পাউডার ও গ্লিসারিন প্রয়োজন হবে। একটি পাত্রে এক টেবিলচামচ মুলতানি মাটির সাথে দুই টেবিলচামচ গ্লিসারিন ও চার টেবিলচামচ আমন্ড পাউডার নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্ট ব্ল্যাকহেডস এর উপর লাগান এবং শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
৮। শুষ্ক ত্বকের চিকিৎসায়ঃ
একটি ছোট পাত্রে এক টেবিলচামচ ভ্যাসেলিন ও গ্লিসারিন নিয়ে ভালোভাবে মিশান। মিশ্রণটি আপনার মুখে ও শরীরে লাগিয়ে রাখুন সারারাত।
৯। খুশকি দূর করেঃ
গ্লিসারিনে ছত্রাক নাশক উপাদান থাকে বলে মাথার তালুর চুলকানি ও খুশকি দূর করতে সাহায্য করে। এসেনশিয়াল অয়েলের সাথে কয়েক ফোঁটা গ্লিসারিন মিশিয়ে মাথার তালুতে ও চুলে লাগান। চুলের ফাটা রোধে সাহায্য করে গ্লিসারিন, ফলে চুল বড় হয়। চুলকে মসৃণ করতেও সাহায্য করে গ্লিসারিন।
ভেজিটেবল গ্লিসারিন ভেজিটেবল ওয়েল(উদ্ভিজ তেল, পাম ওয়েল বা নারিকেল তেল) থেকে উৎপন্ন হয়। এটি কসমেটিক প্রোডাক্ট তৈরিতে, খাদ্যে ও অ্যালকোহলের পরিবর্তে হারবাল ও বোটানিক্যাল আরক হিসেবে ব্যবহার হয়।
প্রতিদিন গ্লিসারিন ব্যবহারে আপনার ত্বক আর্দ্র থাকবে, উজ্জ্বল ও দাগহীন হবে।
medicalbd সাস্থের সকল খবর।

