বিরল রোগ ট্রি ম্যান বা গাছে মানব

বিরল রোগ ট্রি ম্যান বা গাছে মানব

বিরল রোগ ট্রি ম্যান বা গাছে মানব

‘ট্রিম্যান বা গাছমানব’ ও তার চিকিৎসা নিয়ে গত কয়েক দিনে সারা দেশে আলোড়ন তুলেছে। বিশেষ করে দেশের চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের এ মূহুর্তে সবচেয়ে বড় ভাবনার বিষয় হয়ে উঠেছে এই রোগ। বাংলাদেশী সাহসী চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা বাংলাদেশ সরকারের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় অত্যন্ত আন্তরিকতা প্রদর্শন করেছেন এই রোগের চিকিৎসা ও গবেষণায়। আমরা মেডিকেলবিডি পরিবার পরিবার বরাবরই দেশের মানুষের কল্যাণে যেকোন ভাইরাস বা রোগের আগাম সর্তকতা ও করণীয় সম্পর্কে দেশবাসীকে সতর্ক বার্তা ও সাবধান করে থাকি। এই ধারাবাহিকতায় ট্রিম্যান বা গাছমানব নিয়ে জাতীয় পত্রপত্রিকার আলোকে এ প্রতিবেদনটি তুলে ধরা হলো:-

 

 

বিগত ১ ফ্রেব্রুয়ারি ২০১৬ সালে বিভিন্ন দৈনিক আবুল বাজনদারের সচিত্র সংবাদ ছাপা হয়েছে এবং তাকে ‘বৃক্ষমানব’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে। আবুল এক বিরল ভাইরাসে আক্রান্ত। তার ভাষায় সর্বপ্রথম তার এক হাঁটুতে আঁচিল ওঠে। পওে অপর পায়ে। এরপর দুই হাতে আঁচিল ওঠে। হাত-পায়ের আঁচিলগুলো পরে গাছের শিকড়ের মতো বড় হতে থাকে এবং ভয়ঙ্কর রুপ নিতে ধারন করতে থাকে। প্রথম দিকে আবুল শিকড়ের আঁচিলগুরো কেটে ছোট কওে রাখতে চেষ্টা করে। কিন্তু পরে কাটতে গেলে রক্ত বের হতে থাকে। তখন কাটা বন্ধ করে দেয়। এরপর সভাপতি কওে ছয় সদস্যের একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই মেডিক্যাল বোর্ডের অন্য সদস্যরা হলেন: সামন্ত লাল সেন, অধ্যাপক ডা: মো: সাজ্জাদ খোন্দকার, অধ্যাপক ডা: রায়হান আউয়াল, ডা: আবুল কালাম আজাদ ও সহযোগী অধ্যাপক ডা: মো: ইমদাদুল হক।

 

 

উল্লেখিত মেডিক্যাল বোর্ড তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তার দেহে ১০-১৫টি অপারেশনের সিদান্ত গ্রহণ করেছেন। ইতোমধ্যে দু‘টি অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে তার হাতে। তার রক্তের নমুনা পাঠানো হয়েছে বিদেশে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য। চিকিৎসকেরা আশা করছেন, তার চিকিৎসকর জন্য ১২ থেকে ১৫ মাস প্রয়োজন হতে পারে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম ঘোষণা দিয়েছেন, আবুল বাজনদারের চিকিৎসার দায়িত্ব সরকারের।
বৃক্ষমানব আবুল বাজনদার বিশ্বের মধ্যে এই রোগের তৃতীয় রোগী। এর আগে রুমানিয়াও অন্য একটি দেশে এমন রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়। তারাও অপারেশনের মাধ্যমে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়। চিকিৎসাকেরা বলেছেন, এ রোগের নাম লেওয়ান ডোস্কি-লুজ ডিসপ্লাসিয়া ভেরুকোফরমিস।
সম্প্রতি সংবাদে প্রকাশ, রংপুরে এ রোগে আক্রান্ত একটি পরিবারের খোঁজ পাওয়া গেছে। খবরটি সারা বাংলাদেশে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। রংপুওে আক্রান্ত রোগীর নাম তাজুল ইসলাম এবং তার ছেলে রুহুল আমিন। দু’জনই এই রোগে আক্রান্ত। তাদেরকেও সরকারি উদ্যোগে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে এনে চিকিসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ সুস্বাস্থের জন্য হাত ধোয়ার গুরুত্ব

গণ সচেতনতায় ডিপিআরসি হসপিটাল লিমিটেড

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*