হার্ট মাসল যদি প্রয়োজনমতো রক্তের জোগান না পায় তবে রক্তাসল্পতায় ভোগে। তার থেকেই ইস্কিমিক হার্ট ডিজিজের উৎপক্তি। এই ইস্কিমিক হার্ট ডিজিজের রোগী যদি জোরে হাঁটার চেষ্টা করেন, দীর্ঘক্ষণ শরীরচর্চা করেন তবে অতিরিক্ত কায়িক পরিশ্রমের জন্য হার্ট মাসলের অতিরিক্ত অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়ে পড়ে, যেটা হার্টের ভেতরের ধমনী দিয়ে প্রবাহিত রক্ত থেকেই সরবরাহ হয়ে থাকে। কিন্তু রক্ত সরবরাহের ধমনী যদি বক্ল থাকে তবে যে ধমনী স্বাভাবিক রক্তই সরবরাহ করতে পারে না কী করে কায়িক পরিশ্রমের প্রয়োজনে অতিরিক্ত রক্ত সরবারাহ করবে? এই দোটানায় পড়ে অটোনমিক নার্ভাস সিস্টেমের প্রভাবে অতিরিক্ত অক্সিজেন সরবরাহের বিকল্প হিসেবে হার্টের গতি দ্রুত বাড়তে থাকে। হার্টের এই গতি বৃদ্ধির ফলেই শ্বাকষ্ট শুরু হয়। তাই যতক্ষণ হার্টের এই বর্ধিত গতি না কমে অর্থ্যাৎ যতক্ষণ না বিশ্রাম নেওয়া হয় বা এই সিঁড়িভাঙ্গা বা হাঁটা থেকে বিশ্রাম না নেওয়া হয় তুক্ষণ এই শ্বাসকষ্টও চলতে থাকে বরং ক্রমশ বাড়তেই দেখা যায় তাই ইস্কিমিক হার্ট ডিজিজ পেশেন্টদের চলাফেরা অতিরিক্ত সাবধান হওয়া প্রয়োজন। চলতে গেলে শ্বাসের কষ্ট হলেই থেমে যান, তা না হলে হার্ট অ্যাটাকও হয়ে যেতে পারে।
medicalbd সাস্থের সকল খবর।

