গর্ভবতী নারীরা তার বন্ধু বা আত্মীয়র সঙ্গে কথা বলার সময় তারা অবশ্যই জিজ্ঞেস করেন, গর্ভের শিশুটি ছেলে না কি মেয়ে? এই বিষয়টি প্রায় সকলের জন্য একটি মজার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। বাবা মায়েরও জানার আগ্রহের কমতি থাকে না। তবে, ডাক্তারের মতে ২০ সপ্তাহের আগে শিশুটির লিঙ্গ সম্পর্কে জানা অসম্ভব।
অনেক মায়েরা তাদের গর্ভের সন্তান সম্পর্কে আলট্রাসনগ্রাম করার আগেই জানতে পারেন। কিন্তু, কীভাবে তা সম্ভব হয়, আজ আপনারাও তা জেনে নিন-
১. খাবারের প্রতি আপনার প্রবল আকর্ষণঃ
সাধারণত বেশিরভাগ নারী গর্ভাবস্থায় হরমোন ভারসাম্যহীনতায় ভোগে। এর ফলে তাদের মাঝে বিভিন্ন কিছু খাওয়ার প্রবল ইচ্ছাশক্তি জাগে। আপনার ক্ষুধিত অবস্থার মাধ্যমে শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ করতে পারে। আপনার যদি মিষ্টি খাবার ইচ্ছা হয়, তাহলে সম্ভবত মেয়ে হবে আর যদি মসলাদার খাবার খাওয়ার ইচ্ছা হয়, তাহলে ছেলে হতে পারে।
২. পেটের অবস্থানঃ
গর্ভাবস্থায় পেট বেশি ভারী মনে হলে, সম্ভবত মেয়ে শিশু হবে। আর যদি ভার কম অনুভূত হয় তাহলে সম্ভবত ছেলে হবে। শিশুটি যদি পেটের ডানদিকে আছে বলে মনে হয়, তাহলে মেয়ে হবে। আর যদি সমস্ত পেট জুড়ে বা বামদিকে অনুভূত হয় তাহলে ছেলে হবে।
৩. হার্টবিট রেটঃ
ডাক্তারের নিকট পরীক্ষার সময়, যখন ডাক্তার আপনার গর্ভস্থ শিশুর হৃদস্পন্দন পরীক্ষা করেন তখন লক্ষ্য রাখুন, হৃদস্পন্দনের রেট কত। হৃদস্পন্দন যদি ১৪০ BPM এর বেশি অথবা সমান হয়, তাহলে শিশুটি সম্ভবত মেয়ে। আর যদি হৃদস্পন্দনের রেট ১৪০ BPM এর কম হয়, তাহলে গর্ভস্থ শিশুটি সম্ভবত ছেলে হবে।
এই কিছু বিষয়গুলো লক্ষ্য করলে আপনার ডাক্তার বলার আগেই বুঝতে পারবেন, কে আসছে আপনার জীবনে। তাহলে আগে থেকেই তার জন্য প্রস্তুতি নিতে পারবেন। যেমন- মেয়ে হলে সবকিছু গোলাপি বা সাদা আর ছেলে হলে নীল বা গাড় কোন রঙ। এখন আর ছেলে ও মেয়ের মাঝে কোন ভেদাভেদ নেই। তবে, জানার আগ্রহ ও কৌতূহল আবিষ্কারের জন্য এই পদ্ধতি।
medicalbd সাস্থের সকল খবর।

