যে সকল খাবার খেলে আপনার ঘন ঘন প্রস্রাবের চাপ দূর করতে পারবেন
দিনে চার থেকে পাঁচ বার প্রস্রাবের চাপ দেয়, তা মোটেই অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে তার থেকে বেশি বার চাপ হলে কিন্তু চিন্তার বিষয় হতে পারে।
আপনার বিশেষ করে দিনে যদি ছয় থেকে আট বার প্রসাবের বেগ হয় এবং রাতে সর্বোচ্চ দুই বার প্রস্রাবের চাপ আসে, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।বিশেষজ্ঞদের মতে, কিডনিতে গ্লোমেরোলাসে যদি প্রয়োজনের অতিরিক্ত কাজ করা শুরু করে তাহলেই ঘন ঘন প্রস্রাবের চাপ হয়। যেমন: বেশি অ্যালকোহল সেবন, ক্যাফিন, ডায়াবেটিস, ইউরিনারি ট্রাক্ট ইনফেকশন, পেলভিক রিজিয়ানে কোনো অসুবিধা, কিছু ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রয়া থেকেও হতে পারে।
বর্তমানে চিকিৎসকের পরামর্শ ও আধুনিক নানা চিকিৎসার কল্যাণে এ সমস্যা দূর করা যায়। তবে ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করে এই সমস্যা থেকে আপনি সহজেই পরিত্রান পেতে পারেন। নিন্মে পদ্ধতি গুলো দেওয়া হলো। যেমন: –
ডালিম :
ডালিম খেলে প্রায় সব ধরনের ইউরিনারি ট্রাক্ট সমস্যা কমে যাবে। এতে রয়েছে নানা ধরনের ভিটামিন এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা ব্লাডারের প্রদাহ হ্রাস করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই আর ঘন ঘন প্রস্রাবের চাপ আসে না। এতে আপনর কিডনি এবং ব্লাডার উভয়ই সুস্থ্য থাকবে।
তিল বীজ :
এতে রয়েছে প্রয়োজনীয় ফাইবার, মিনারেল, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন, যা ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ আসা কমায়।
ছোলা :
ছোলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পলিফোনোলস, আয়রন এবং ক্যালসিয়াম। এগুলো ব্লাডারের কাজকে স্বাভাবিক করে এবং মুত্র নিষ্কাষনে সাহায্য করে এই সমস্যা কমিয়ে ফেলে।
কুমড়ার বীজ:
কুমড়োর বীজে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। ফ্যাটি অ্যাসিড, প্রস্টেট এবং ব্লাডারকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। যাদের প্রস্টেট এনলার্জ আছে কুমড়োর বীজ তাদের জন্য আদর্শ খাবার ।
চেরি :
চেরিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার এবং ভিটামিন সি যা ব্লাডারের অস্বাভাবিকতা কমায়। বেশি বেশি চেরি খেলে ঘন ঘন প্রস্রাবের সমস্যা কমে যায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।বেশি করে চেরি খেলে আপনার গ্লোমেরোলার ফিল্টারেশন রেট (GFR) স্বাভাবিক থাকে।
মেথি বীজ :
এটি ঘন ঘন প্রস্রাব চাপার বেগ কমায় এবং যে কোনো ধরনের ইউরিনারি ডিজঅর্ডার সারাতে দারুন কাজ করে। মেথি বীজ ব্লাডারের স্পিন্টার মাসল এর উপর ভাল কাজ করে যাতে, এতে দীর্ঘক্ষন প্রস্রাব আটকে রাখা সম্ভব হয়।
গণ সচেতনতায় ডিপিআরসি হসপিটাল লিমিটেড
medicalbd সাস্থের সকল খবর।

