প্রায় সময় পুরুষরা বাইরের জগতের কাজকর্ম নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। ফলে নিজের শরীরের দিকে তেমন নজর দেয়ার সময় পান না। সেই অবকাশে শরীরে বেড়ে উঠতে থাকে কোন না কোন গুরুতর ব্যাধি।
এমন অমনোযোগী পুরুষদের সচেতন করতে সম্প্রতি ‘মেল হেলথ’ (Male Health) নামের স্বাস্থ্য পত্রিকা জানিয়েছে এমন কিছু শারীরিক লক্ষণের কথা-
অণ্ডকোষে দলা অনুভব করাঃ পুরুষদের নিয়মিত নিজের অণ্ডকোষ হাত দিয়ে ধরে পরীক্ষা করা প্রয়োজন এবং দেখা দরকার সেখানে কোনো পিণ্ড বা দলা অর্থাৎ লাম্পের অনুভূতি পাওয়া যাচ্ছে কি না। যদি পাওয়া যায়, তাহলে অবিলম্বে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া দরকার। কেননা এই লক্ষণ টেস্টিক্যুলার ক্যানসার অর্থাৎ অণ্ডকোষের ক্যানসারের পূর্বাভাস হতে পারে।
প্রস্রাবের সময়ে বেদনা অনুভব করা কিংবা রক্তপাত হওয়াঃ মূত্র ত্যাগের সময়ে যদি মূত্রনালীতে ব্যথার অনুভূতি হয়, কিংবা প্রস্রাবের সঙ্গে যদি রক্ত বেরোয়, তাহলে এটি প্রস্টেট ক্যানসারের লক্ষণ হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।সাধারণত ৫০ বছরের পর পুরুষদের প্রস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। এর চাইতে কম বয়সেও প্রস্টেট ক্যান্সার হতে পারে, কিন্তু সেটা সচরাচর দেখা যায় না।
কিছু দূর হাঁটলেই হাঁপিয়ে পড়াঃ সামান্য হাঁটলেই কি আপনার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়? তা হলে সতর্ক হোন, কেননা, এটি হতে পারে অ্যানিমিয়া, অ্যাজমা কিংবা হার্টের কোনো রোগের উপসর্গ।
বার বার টয়লেটে যাওয়াঃ প্রস্রাব করার জন্য যদি কিছু ক্ষণ বাদে বাদেই টয়লেট ছুটতে হয় আপনাকে এবং প্রস্রাব শুরু হতে যদি অনেকটা সময় লাগে, তাহলে এটি প্রস্টেটের রোগের লক্ষণ। এমনটা হলে দেরি না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। সাধারণত প্রস্টেটর তিন ধরনের সমস্যা দেখা যায়: সাধারণ প্রসারন (BPH), প্রস্টেটের প্রদাহ (একে প্রস্টাইটিস-ও বলে) এবং প্রস্টেট ক্যান্সার।
অকালে চুল ঝরে যাওয়াঃ টাক পড়ে যাওয়ার বিষয়টিকে কোনো পুরুষই তেমন একটা গুরুত্ব দেন না। এটি ঠিকই যে, একটা নির্দিষ্ট বয়সের পরে মাথার চুল ঝরে যেতেই পারে। কিন্তু সেই বয়সের আগেই যদি মাথার চুল ঝরে যেতে শুরু করে, তাহলে এটি থাইরয়েডের সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। দীর্ঘ দিন ধরে চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
medicalbd সাস্থের সকল খবর।

