ভিটামিন ডি শরীরের জন্য কতটা উপকারী?

ভিটামিন ডি শরীরের জন্য কতটা উপকারী?
রক্তে ভিটামিন ডির স্বাভাবিক মাত্রা ৩০ ন্যানোমোলস/লিটার থেকে ৭০ ন্যানোমোলস/লিটার। সাধারণত ৩০ ন্যানোমোলস/লিটার এর কম থাকলে আমরা সেটাকে ভিটামিন ডি ডেফিসিয়েন্সি বলি। আবার ১২৫ ন্যানোমোলস/লিটার এর বেশি হলে সেটা টক্সিসিটি পর্যায়ে চলে যায়। রক্তে ভিটামিন ডি পরীক্ষার ফলাফল বয়স ও লিঙ্গ অনুসারে সামান্য পরিবর্তনশীল।
ভিটামিন ডিএর উপকারিতাঃ
১. শরীরে কোষে আন্ত যোগাযোগ ও কোষের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।
২. স্ট্রোক ঠেকাতে সাহায্য করে।
৩. শরীরে ক্যালসিয়াম ও ফসফেটের শোষণ বাড়ায়।
৪. মহিলাদের অস্টিওপোরেসিসের ঝুঁকি কমায়।
৫. দাঁত শক্ত করে।
৬. পেশির শক্তি বাড়ায়।
৭. ওজন কমাতে সাহায্য করে।
৮. ক্যান্সারের ঝুঁকি  কমায় (বিশেষত কলোরেক্টাল ক্যান্সার)
৯. শরীরে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
১০. হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
১১. বিভিন্ন ধরনের ফ্লু রোগের ঝুঁকি কমায়।
১২. ডিপ্রেশন কমায়।
১৩. রক্তে শর্করার পরিমাণ কম করে।
১৪. চোখের দৃষ্টি ভালো রাখে।
১৫. শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।
১৬. মাথাব্যথা কমায়।
১৭. টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়।
১৮. চুল পড়া রোধ করে।
১৯. ত্বক ভালো রাখে।
২০. আটোইমিউন রোগ প্রতিরোধ করে।
ভিটামিন ডি এর উৎসঃ
সূর্যের আলো, সামুদ্রিক মাছ (স্যামন, ইলিশ, চিংড়ি, টুনা) ডিমের কুসুম , কলিজা, মাখন, পনির, দুধ (গরুর দুধ, সয়া দুধ)  মাশরুম, টকদই, ফল (আমলকি লেবু, কমলা, জাম), চর্বিমুক্ত খাবার, সবজি (ব্রকলি, বাঁধাকপি, পালংশাক,  শালগম শাক), বাদাম, মাছের তেল, চিয়া বীজ , শস্য দানা
ভিটামিনডি এর অপকারিতা (টক্সিক পর্যায়ে):
ক্লান্তি, মাথাব্যথা, ক্ষুদামন্দা, বমি বমি ভাব, মুখ শুষ্ক হয়ে যাওয়া, স্বাদের পরিবর্তন অনুভূত হওয়া, ওজন হ্রাস, দুর্বলতা , কিডনির পাথর, হার্টের ছন্দের সমস্যা, বিভ্রান্তি।

ডাঃ মোঃ সফিউল্যাহ প্রধান
পেইন,প্যারালাইসিস ও রিহেব-ফিজিও বিশেষজ্ঞ।
সহযোগী অধ্যাপক (আইআইএইচএস) ও কনসালটেন্ট (ডিপিআরসি)
১২/১ রিং রোড, শ্যামলী, ঢাকা। ফোনঃ09666774411

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*