পুরুষদের গাইনোকোমাসটিয়া (স্তন বৃদ্ধি) এবং প্রতিকার
কোন কারনে পুরুষের স্তন বৃদ্ধি হলে এটাকে গাইনোকোমাসটিয়া (স্তন বৃদ্ধি) বলে। একটি ছেলে যখন যৌবনে পদার্পন করে তখন তার টেসটোসটেরন নামে পুরুষ হরমোন জাগ্রত হয়ে পুরুষের অবকাঠামো – পুরুষাঙ্গ, অন্ডকোষ দাড়ি, গোঁফ, পুরুষাঙ্গের চারিদিকে লোম বড় হতে শুরু করে এবং তৎসঙ্গে স্তন ও বৃদ্ধি হয়, তবে স্তন যে পর্যন্ত বাড়ে বা যত বড় হয় তার ৭৫ ভাগই ১-২ বৎসরের মধ্যেই পূর্বের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। প্রায় ৭০% যুবক বালকদের উঠতি বয়সে এই স্তন বৃদ্ধি হতে পারে, ৪০% যুবকের স্তনে কিছু কিছু ব্যাথা হতে পারে এবং ৪% যুবকের স্তন থেকে কিছু তরল পদার্থ নিঃস্বরন হতে পারে। একজন পুরুষের তিন ধাপে স্তন বাড়তে পারে:- একটি নিউবরন অর্থাৎ ছোট বয়সে, দ্বিতীয় যৌবন কালে এবং তৃতীয়ত বৃদ্ধকালে। মূলত: পুরুষ হরমোন এবং মেয়ে হরমোন এই দুই এর অসামাঞ্জস্য অর্থাৎ পুরুষ হরমোন কমিয়ে মেয়েলী হরমোন বেশী হলে এই গাইনোকোমাসটিয়া হতে পারে।
গাইনোকোমাসটিয়া(স্তনবৃদ্ধি) অনেক সময় রোগী মানসিক যন্ত্রণায় ভোগেন। অনেকে এই রোগকে গোপন করে যান। এর ফলে রোগীর অস্বস্তি আরও বাড়তে পারে।এই গাইনোকোমাসটিয়ার অনেক জানা অজানা কারন রয়েছে, তার মধ্যে ফিজিওলজিক্যাল বাচ্চাদের পির্ডবার্টি গাইনোকোমাসটিয়া।কিছু ঔষধ আছে এই গাইনোকোমাসটিয়া করতে পারে। যেমন- ডাই ইউরেটিস-ইসপাইরোনোলেকটন, ডিগোকসিন, সিমিটিডিন, এন্টিএন্ডোজেন, সিপ্রোটেরন এসিটেড, এনাবলিক স্টেরয়েড, ডিপ্রেশন এর কিছু ঔষধ যেমন: এমিট্রিপটাইলিন ইত্যাদি। কিছু জেনেটিক কারন যেমন ক্রাইন ফিলটার সিন্ড্রম। কিছু রোগে মেয়েলী হরমোন বেড়ে গিয়ে এ ধরনের পরিস্থিতি হতে পারে। তার মধ্যে লিভার সিরোসিস, অন্ডকোষের টিউমার অকার্যকর, কিডনীর রোগ ইত্যাদি। ২৫% এর ক্ষেত্রে এর কারন জানা যায় নাই।
প্রতিকারঃ
এই গাইনোকোমাসটিয়া বা স্তন বৃদ্ধি চিকিৎসা হিসেবে প্রধানত দুই ক্যাটাগরিতে পড়ে। একটি হলো মেডিকেল চিকিৎসা মাধ্যমে অন্যটি সার্জিক্যাল পদ্ধতির মাধ্যম।যেহেতু কারন অনুযায়ী এর চিকিৎসা রয়েছে। তাই এর জন্য যথা শীঘ্র চিকিৎসার পরামর্শ একজন হরমোন বিশেষজ্ঞ বা এন্ডোক্রাইনোলজিষ্ট এর নিকট যাওয়া দরকার।
medicalbd সাস্থের সকল খবর।

