এ ধরনের বৈকল্যে কাঁধের অনম্যতা ও বেদনা যা সাধারণত মহিলা ও পঞ্চাশোর্ধ্ব পুরুষদের হয়ে থাকে। এ রোগে কাঁধের সঞ্চালন সীমিত ও বেদনা হয়ে থাকে। আক্রান্ত অঙ্গ সঞ্চালনে বেদন বাড়ে। আক্রান্ত কাঁধের মাংসপেশি ক্ষয়প্রাপ্ত হয় বা শুকিয়ে যায়। বেদনার ভয়ে হাত কম সঞ্চালন করে ফলে কাঁধের সঞ্চালন সীমা আরও কমে আসে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কয়েক মাস কষ্ট ভোগ করার পর বিনা চিকিৎসাতেই আরোগ্য হয়ে যেতে পারে। সঠিক কারণ জানা নেই। তবে পূর্ব প্রবণ উপাদান থাকতে পারে।
দেয়ালে হাত রেখে ওপরে তোলা ও হাত দেয়ালে চক্রাকারে ঘুরানো। পূর্ব প্রবণ উপাদানগুলো
১. পূর্বে কাঁধের চারপাশে অথবা ঊর্ধ্বঙ্গের কোনো জায়গায় আঘাত।
২. অন্য স্থান থেকে আগত কোনো বেদনা (Referred pain)
৩. কাঁধের চারপাশের কান্ডুরার বাতজনিত প্রদাহ (Teno synovitis)
৪. ঘর্ষণ-থলি প্রদাহ (Bursitis)
চিকিৎসাঃ
১. পূর্ব প্রবণ উপাদানের প্রতি বিধান করা এবং অন্যম্যতা ও বেদনা প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন।
২. বেদনানাশক ওষুধ।
৩. ফিজিওথেরাপি ব্যায়াম : কপিকল ও অন্যান্য পদ্ধতির দ্বারা ও কৌশলগত বৈদ্যুতিক তাপ ইত্যাদি।
৪. কাঁধের দিরার ভেতর ইন্ট্রাআর্টিকুলার ইঞ্জেকশন।
রোগীর প্রতি উপদেশঃ
১. ভয়ের কোনো কারণ নেই।
২. মালিশ নিষেধ।
৩. নিয়মিত নির্দিষ্ট ব্যায়ম অনুশীলন
৪. আক্রান্ত হাতে মাথা আঁচড়ানো, কাপড় পরা, পিঠ ও মাথার দিকে হাত নেয়ার চেষ্টা করা ইত্যাদি।
পেইন প্যারালাইসিস ও রিহেব-ফিজিও বিশেষজ্ঞ
যোগাযোগ:- ডিপিআরসি হাসপাতাল লি: (১২/১ রিং-রোড, শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭)
শ্যামলী ক্লাব মাঠ সমবায় বাজারের উল্টো দিকে
সিরিয়ালের জন্য ফোন: ০১৯৯-৭৭০২০০১-২ অথবা ০৯ ৬৬৬ ৭৭ ৪৪ ১১
medicalbd সাস্থের সকল খবর।

