এ রোগ গুরুতর পঙ্গু দশার সৃৃষ্টি করতে পারে। মেরুদন্ড ও বড় গিরাগলো আক্রান্ত হয়ে স্থায়ী বিকৃতি ও অচলাবস্থার সৃষ্টি করে থাকে। প্রথমে গিরায় বেদনা ও ফোলা দেখা দেয় সঙ্গে অল্প থাকে। পরে গিরায় বিকৃতি ঘটে এবং ক্রমেই স্থায়ীভাবে অনম্য হয়ে যায়। সাধারণত এ রোগ কিশোর বয়স থেকে শুরু করে ৩০ বছর বয়সের মধ্যে হয়ে থাকে। মহিলাদের চেয়ে পুরুষ আক্রান্ত হয় বেশি। গিরার স্বাভাবিক ফাঁক হাড় পূর্ন হয়ে যায় (Bony Ankylosis) যার ফলে সংশ্লিষ্ট অঙ্গের সঞ্চালন ক্ষমতা লোপ পায় এবং রোগী পঙ্গু হয়ে যায়।
চিকিৎসাঃ
১. প্রদাহ নিরোধ ও বেদনানাশক ওষুধ।
২. তীব্র বেদনার সময় বিশ্রামের প্রয়োজন। যদি সহ্য হয় তবে একই অবস্থায় শুয়ে না থেকে সাধ্যমতো চলাফেরা ও নড়াচড়া করা উচিত চলা-ফেরাও নড়াচড়া, বিকৃতি ও গিরার অনড় অবস্থা প্রতিরোধ করে।
৩. বিকৃতি নিরাময়ের জন্য-স্কেলেটার ট্রাকশন।
৪. সহায়ক উপকরণ- ওয়াকার, ও হুইলের চেয়ার ইত্যাদি।
৫. শল্য চিকিৎসা।
৬. পূর্ণবাসনের ব্যবস্থা করা।
পেইন প্যারালাইসিস ও রিহেব-ফিজিও বিশেষজ্ঞ
যোগাযোগ:- ডিপিআরসি হাসপাতাল লি: (১২/১ রিং-রোড, শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭)
শ্যামলী ক্লাব মাঠ সমবায় বাজারের উল্টো দিকে
সিরিয়ালের জন্য ফোন: ০১৯৯-৭৭০২০০১-২ অথবা ০৯ ৬৬৬ ৭৭ ৪৪ ১১
medicalbd সাস্থের সকল খবর।

