সেবরিক কেরাটাইটিস বা সেবরিক আঁচিল
সব বয়সের নিজস্ব একটা সৌন্দর্য আছে। তা বয়স অনুযায়ী মানানসই। কিন্তু তারুণ্য কমতে থাকলে সব কিছুই যেন ঢিলেঢালা স্ম্রিমান হয়ে আসে। কমতে থাকে উদ্দাম ও উচ্ছ্বাস। তরুণ দীপ্ত ত্বক হয়ে যায় কেমন যেন ফ্যাকাশে ঢিলেঢালা শ্রীহীন ও ভাঁজ পড়া।
মনেও ভাঁজ পড়তে থাকে দুশ্চিন্তায় যেন বয়স বেড়ে গেল। চল্লিশ ও পঞ্চাশ দশক থেকে কারো কারো শুরু হয় আরেক ঝামেলা, তা হলো সবরিক কেরাটসিস বা সেবরিক আঁচিল। পিঠ, বুক, গলা ও মুখমন্ডল এমনিক শরীরের যেকোনো স্থানে কুৎসিত আঁচিল দেখা দিতে পারে। এটা কিন্তু ভাইরাসজনিত আঁচিল নয়। ছেঅট দাগের মতো থেকে বড় বড় ছোপ ছোপ আকারের হতে পারে। কখনো কখনো এই উঁচু আঁচিল অমর্সণ কেরাটসিস দেখা যায়। কেন হয় ঠিকমতো বোঝা না গেলেও জেনেটিক জটিলতার কারণে কারো কারো আঁচিল দেখা যায়। কেরাটসিসগুলো হালকা ভাবে চামড়ার সাথে লাগানো থাকে এবং জোর করে উঠাতে চাইলে রক্তপাত হতে পারে। একে মাঝে মাঝে তিল বলে ভুল হতে পারে। অনেক দিন ধরে সেবরিক কেরাটসিস থাকলে ওই অঙ্গ ক্যান্সারে পরিবর্তন হতে পারে। পাকস্থলীর ক্যান্সারে শরীরে এ আঁচিল প্রচুর হতে পারে। তাই একে অবহেলা বা অবজ্ঞা করা ঠিক নয়। সৌন্দর্যের দিক বিবেচনা করলে এই আঁচিল মুখমন্ডলে শ্রীহানি করে ভীষণভাবে এবং অন্য স্থানে এটি সমস্যা সৃষ্ঠি করে অনেক বিরক্তি ঘটায়।
চিকিৎসা
ক্রায়োসার্জারি : এই প্রক্রিয়ায় এটি সহজে চিকিৎসা করা যায়।
লেজার : কার্যকর কিন্তু অন্যান্য পদ্ধতির চেয়ে মোটেই ভালো নয়। (ব্যয়বহুল)
ইলেকট্রো কাটারি : এই পদ্ধতিতে সহজে ও কম খরচে চিকিৎসা করা যায়।
মোটকথা এই বাজে অসুন্দর ও ঝামেলামুক্ত রোগ থেকে যত তাড়াতাড়ি মুক্ত হওয়া যায় ততই মঙ্গল।
medicalbd সাস্থের সকল খবর।

