বি.দ্র. ১. সময়ের চেয়ে জীবনের মূল্য অধিক।
যানবাহনের চলার সময় হাত ও মাথা জানালার বাইরে রাখা অনুচিত। পাশে চলন্ত গাড়রি ধাক্কায় অথবা ঘর্ষণে মারাত্মক বিপর্যয় হতে পারে- অঙ্গহানিসহ মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। এ ধরনের দুর্ঘটনায় সাধারণত কনুই ও তার নিকটবর্তি অংশ আক্রান্ত হয় অধিকাংশ সময় অসংশোধনীয় ও অপূরনীয় ক্ষতি হয়ে থাকে। এ ধরনের আঘাতকে ইংরেজিতে সাইড সুইপ ইঞ্জুরি (Side Swipe injury) বলে।
জেনে রাখা ভালোঃ
১. যে কোনো আঘাতে মালিশ নিষেধ, মালিশে বেদনা ও ফোলা কমেনা বরং উপশম বিলম্বিত করে। প্রাথমিক অবস্থায় ঠান্ডা পানির পট্টি অথবা বরফ ব্যবহার খুবই উপকারী।
২. যদি কাটা বা ছেড়া জখম থাকে তা হলে পানি এন্টিসেপটিক লোশন দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করে ড্রেসিং করা প্রয়োজন। কালবিলম্ব না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
৩. হিপোক্রেটিস প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে বলে গেছে, ভাঙ্গা হাড় জেড়া লাগা শুধু সময়ের ব্যাপার এবং তার জন্য কিছু উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা। রোগী অবশ্যই নিজেকে আরোগ্য করবে।ভাঙা হাড় জোড়া লাগানোর কোনো ওষুধ নেই, প্রয়োজন শুধু ভাঙা হাড় সঠিক স্থানে রাখার ব্যবস্থা করা, প্লাস্টার বা অস্ত্রোপচার দ্বারা। কোনো কোনো হাড়ের ভাঙার জন্য প্লাস্টার বা অস্ত্রোপচার কোনটিরই প্রয়োজন হয় না। স্বাভাবিক নিয়মে ভাঙা হাড় জোড়া লাগা ও পুনর্গঠনের পদ্ধতি (Process of remodeling)
৫. রোগীর বয়সের তারতম্য, ভাঙার প্রকার ভেদ ও অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে অস্থি ভঙ্গের চিকিৎসা পদ্ধতি বিভিন্ন হতে পারে।
৬. নিজের ইচ্ছায় নয়, চিকিৎসকের উপদেশ মোতাবেক চলা প্রয়োজন। তথাকথিত ‘গ্যারান্টিযুক্ত হাড় ভাঙার হাতুড়ে ডাক্তার ও কবিরাজ’ পরিহার করে বিজ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসা গ্রহণ করা প্রয়োজন।
৭. মনোবল দৃঢ় রাখুন। বিনা প্রয়োজনে বারবার এক্সরে করে বিচলিত ও বিভ্রান্ত হওয়া উচিত নয়।
৮. রোগের অবস্থা, পরিণতি ও কর্তব্য খোলাখুলিভাবে চিকিৎসকের কাছ থেকে জেনে নেয়া প্রয়োজন।
৯. পূর্ব থেকে কোনো রোগ থাকলে চিকিৎসককে জানানো উচিত।
১০. যদি প্রতিবন্ধকতার কারণে পেশা বা কাজের ধরনের পরিবর্তন প্রয়োজন হয় তবে তা মেনে নিতে হবে।বাস্তবতাকে স্বীকার করতে হবে। অক্ষমতা ও অপারগতা এক নয়। প্রয়োজন হলে নতুনভাবে কর্মময় জীবন শুরু করার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।
১১. পুনর্বাসনের সব ব্যবস্থা সঠিকভাবে পালন করতে হবে। সব বাধা অতিক্রম করে রোগীকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
১২. জন্মগত বিকৃতিকে অবহেলা ও উপেক্ষা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পঙ্গু ও বিকলাঙ্গ শিশুর যথার্থ ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। ভবিষ্যৎ নাগরিকের অর্থবহ জীবন ধারনের জন্য বিভ্রান্ত ও কুসংস্কারের শিকার না হয়ে অচিরেই ধৈর্য ও পরিশ্রমের সঙ্গে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে অবশ্যই ভুল করবেন না। অন্যথায় আফসোস করতে হবে ও ভুলের খেসারত দিতে হবে।
পেইন প্যারালাইসিস ও রিহেব-ফিজিও বিশেষজ্ঞ
যোগাযোগ:- ডিপিআরসি হাসপাতাল লি: (১২/১ রিং-রোড, শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭)
শ্যামলী ক্লাব মাঠ সমবায় বাজারের উল্টো দিকে
সিরিয়ালের জন্য ফোন: ০১৯৯-৭৭০২০০১-২ অথবা ০৯ ৬৬৬ ৭৭ ৪৪ ১১
medicalbd সাস্থের সকল খবর।

