ম্যাগনেসিয়াম এর উপকারীতা ও অপকারীতা

 

ম্যাগনেসিয়াম এর উপকারীতা ও অপকারীতা

# খাবারের উৎস:

পালং শাক, কলা, কাঠবাদাম, বাদামি চাল, চিনাবাদাম, ডাল, টকদই, চিয়াসীড, শিমের বীজ, সবুজ শাক, দুধ, দুগ্ধ জাতীয় খাবার, মিষ্টি কুমড়ার বীজ, পেঁপে, ব্ল্যাকবেরী, আলু, মটরশুঁটি, ডার্ক চকোলেট, এভোক্যাডো, সূর্যমুখীর বীজ।

 

# ম্যাগনেসিয়াম এর কাজ:

১. মাংস পেশী ও নার্ভের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

২. ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে।

৩. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

৪. প্রোটিন, হাড় ও ডিএনএ তৈরিতে সাহায্য করে।

৫. প্রোটিন সিনথেসিসে সাহায্য করে।

৬. হাড় শক্ত করতে সাহায্য করে।

৭. হৃদ স্পন্দন নিয়মিত রাখতে সাহায্য করে।

৮. শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নিয়ন্ত্রনে সাহায্য করে ।

 

 #ম্যাগনেসিয়াম এর ধরন তাদের কাজ

১.ম্যাগনেসিয়াম সাইট্রেট: খাবার হজমে সাহায্য করে

২.ম্যাগনেসিয়াম গ্লাইসিনেট:ভালো ঘুম হওয়াতে সহায়তা করে।

৩.ম্যাগনেসিয়াম খ্রিওনেট: জ্ঞান সমৃদ্ধ করে।

৪. ম্যাগনেসিয়াম ম্যালেট: এর অভাবে মাংসপেশির ব্যথা হয়।

৫. ম্যাগনেসিয়াম টাওরেট:হৃদপিন্ডের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

৬.ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইড:মাংসপেশি রিলাক্স করে

৭.ম্যাগনেসিয়াম সালফেট:এর ঘাটতি হলে মাংসপেশিতে ব্যথা হয়।

৮.ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড: কোষ্ট্যকাঠিন্য দূর করে।

 

# প্রতিদিন কতটুকু ম্যাগনেসিয়াম কাদের এবং কি পরিমানে দরকার?

বয়স                                                 পরিমান

১. ৬ মাস বয়স পর্যন্ত……..              ৩০ মিলিগ্রাম/ডে

২.৭-১২ মাস………………..                ৭৫   মিলিগ্রাম/ডে

৩.১-৩ বছর…………………                ৮০   মিলিগ্রাম/ডে

৪.৪-৮ বছর………………….               ১৩০ মিলিগ্রাম/ডে

৫.৯-১৩ বছর……………….               ২৪০ মিলিগ্রাম/ডে

৬.১৪-১৮ বছর(ছেলে)……..             ৪১০ মিলিগ্রাম/ডে

৭. ১৪-১৮ বছর (মেয়ে)……..            ৩৬০ মিলিগ্রাম/ডে

৮. প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ…………             ৪০০-৪২০ মিলিগ্রাম/ডে

৯.প্রাপ্তবয়স্ক মহিলা…………            ৩১০-৩২০ মিলিগ্রাম/ডে

১০.গর্ভবতী মহিলা(অল্প বয়সী)..     ৪০০ মিলিগ্রাম/ডে

১১. গর্ভবতী মহিলা(বয়স্ক)……..        ৩৫০-৩৬০ মিলিগ্রাম/ডে

১২.ল্যাকটেটিং মাদার(অল্প বয়সী)…৩৬০ মিলিগ্রাম/ডে

১৩.ল্যাক্টেটিং মাদার(বয়স্ক)…….        ৩১০-৩২০ মিলিগ্রাম/ডে

 

 # ম্যাগনেসিয়াম এর উপকারিতা:

১.হাড়ের স্বাস্থ্য বজায় রাখে।

২.হাড় ক্ষয় রোধ করে।

৩.পেশীর কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে

৪.স্ট্রেস কমায়।

৫. হার্টের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ব্যবহৃত হয়।

৬.দুশ্চিন্তা ও হতাশা কমাতে সাহায্য করে।

৭. শক্তি উৎপাদন করে।

৮.ডিএনএ সংশ্লেষণ করে।

৯.ঘুম ভালো হয়।

১০.রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে।

১১.মাথাব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

১২.উচ্চরক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

১৩.ভিটামিন-ডি তৈরিতে সাহায্য করে।

১৪. শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ করতে ফুসফুসের মাংসপেশিকে সাহায্য করে।

 

# ম্যাগনেসিয়াম বেশি খেলে কি অপকারিতা হতে পারে:

১. পাতলা পায়খানা

২. শ্বাসকষ্ট

৩.ফুস্কুড়ি

৪.চুলকানি

৫.মাথাঘোরানো

৬.এলার্জি জনিত সমস্যা

 ডাঃ মোঃ সফিউল্যাহ প্রধান
পেইন,প্যারালাইসিস ও রিহেব-ফিজিও বিশেষজ্ঞ।
সহযোগী অধ্যাপক (আইআইএইচএস) ও কনসালটেন্ট (ডিপিআরসি)
১২/১ রিং রোড, শ্যামলী, ঢাকা। ফোনঃ09666774411

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*