মনোযৌন সমস্যা বিচ্যুতি ও সমাধান

মনোযৌন সমস্যা বিচ্যুতি ও সমাধান

স্বাভাবিকভাবে বিপরীত লিঙ্গের প্রতি কামবোধ না করে কেউ যদি অস্বাভাবিক কোনো কিছুর প্রতি কামবোধ করেন তবে তাকে মনোযৌন বিচ্যুতি বলে। যৌন বিচ্যুতিকে ইসলাম ধর্ম গুরুতর পাপ বলে বর্ণনা করেছে। অনেক সমাজে একে ব্যাধি মনে করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে। সংক্ষেপে কয়েকটি মনোযৌন বিচ্যুতির নাম উল্লেখ করা হলো-

 

 

সমকামিতা

পুরুষ ও মহিলা উভয়ের মধ্যে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। যদি এক পুরুষ অন্য পুরুষের প্রতি কামভাব অনুভব করেন, তবে তাকে সডোমি বলে। যদি এক নারী অন্য নারীর প্রতি কামভাব অনুভব করেন, তবে তাকে লেসবিয়ান বলে এবং এই জাতীয় অভ্যাসকে লেসবিয়ানিজম বলা হয়।

 

 

প্রদর্শন বাতিক

রতিক্রিয়ার সাথে জড়িত অঙ্গ প্রদর্শন করে যৌন উত্তেজনা ও তৃপ্তি লাভ করাকে বোঝায়। এটা তুলনামূলকভাবে মেয়েদের মধ্যে বেশি দেখা যায় যেমন-নর্তকী, সিনেমার নায়িকা, আঁটসাঁট পোশাক পরিহিতা নারী, মডেল কন্যা।

 

 

ধর্ষকাম

অন্যকে রতিকক্রিয়ার সময় দৈহিক ব্যথা বা আঘাত বা ক্ষতি করে রোগী নিজে কামতৃপ্তি হয়ে কামতৃপ্তি লাভ করে। মর্ষকাম সাধারণত তুলনামূলকভাবে পুরুষদের মধ্যে বেশি দেখা দেয়।

 

 

নারীর অন্তর্বাসে আসক্তি

নারীর কোনো অন্তর্বাস যেমন- চুলের বেনী, জুতা, মোজা, পেটিকোট, ব্রা ইত্যাদি সংগ্রহ করে রাখার মধ্রে রোগী কামতৃপ্তি লাভ করে। এটা সাধারণত পুরুষদের হয়ে থাকে।

 

 

অন্যের গোপনীয় অঙ্গদর্শন বাতিক

অন্যের নগ্ন দেহ, গোপনীয় অঙ্গ বা অন্যের রতিক্রিয়া দেখে রোগী কামতৃপ্তি লাভ করে। এটা সাধঅরণত পুরুষদের বেলায় তুলনামূলকভাবে বেশি হয়ে থাকে।

 

 

শিশুর প্রতি কামাসক্তি

শিশুদের প্রতি কামাকর্ষণ এ রোগের লক্ষণ। সাধারণত রোগী শিশুর সাথে রতিক্রিয়ায় লিপ্ত হয় না।

 

পশুর প্রতি যৌনকর্ষণ

এক্ষেত্রে পশুর সাথে রতিক্রিয়া লিপ্ত হয়।

 

 

মৃতদেহের প্রতি যৌনাকর্ষণ

এটা খুব কদাচিত হয় । তবে পুরুষদের এটা হতে পারে।

 

 

বিপরীত লিঙ্গের পোশাক পরিধান বাতিক

রোগী বিপরীত লিঙ্গের ব্যক্তিদের পোশাক পরিচ্ছদ পরিধান করে কামতৃপ্তি লাভ করে। এটা টিনএজ মেয়েদের বেলায় সাধারণত দেখা যায়।

 

 

পায়খানার প্রতি কামাসক্তি (Coprohilia)

মলত্যগের কল্পনা করে বা মলত্যাগ দেখে রোগী যৌনতৃপ্তি লাভ করে।

 

 

 

লিঙ্গ পরিবর্তন বাতিক

রোগীর মধ্যে বিপরীত লিঙ্গের অধিকারী হওয়ার প্রবণতা এতই বেশি যে, জটিল অ¯্রােপচারের জন্য চিকিৎসককে অনুরোধ করতে থাকে।

 

 

চিকিৎসা

আলোচনার মাধ্যমে কোনো সমস্যা থাকলে বের করে সমাধানের চেষ্টা নিতে হবে এবং আচরণ স্বাভাবিক করে তোলার জন্য উৎসাহ দিতে হবে। প্রজনন বিজ্ঞান শিক্ষণ প্রদান করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।শারীরিক বা মানসিক রোগ বা সমস্যা থাকলে তারও উপযুক্ত চিকিৎসা করতে হবে।

আরও পড়ুন মনোযৌন সমস্যা কি? 

 

গণ সচেতনতায় ডিপিআরসি হসপিটাল লিমিটেড

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*