বীর্য গাড় করার প্রাকৃতিক উপায় (ভিডিও)

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
  • 1.3K
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
    1.3K
    Shares

বীর্য গাড় করার প্রাকৃতিক উপায়

নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খেলে এমনিতেই পুরুষের বীর্য ঘন হয়ে থাকে। যেমন প্রতিদিন দুধ, ডিম, মধু গ্রহণ করলে সাধারণত আর কোনো কিছুরই দরকার পড়ে না। অনেকে আবার সরাসরি ঔষধ খাওয়া শুরু করে দেন। তারও কোনো দরকার আছে বলে ডাক্তাররা মনে করেন না। কারণ পুরুষের বীর্য উৎপন্ন হয় সরাসরি তাদের খাবার থেকে।

প্রাকৃতিক কিছু জিনিস যা আমাদের হাতের কাছেই পাওয়া যায়। এবং এগুলো নিয়মিত খেলে এমনিতেই পুরুষের বীর্য ঘন হয়ে থাকে। আসুন দেখে নেই জিনিস গুলো কি কি-

রামতুলসী

রামতুলসী পাতার রস ধ্বজভঙ্গে খুবই উপকারী। মাত্র দুই সপ্তাহ নিয়মিত খেলে রোগীর স্বাভাবিক যৌন ক্ষমতা ফিরে আসে।

বেল

যৌবন উত্তেজনা উম্মচিত হয়ে তরুন যুবক কু-পথে চালিত হয়ে শুক্রক্ষয় করে থাকে। তিন থেকে চারটি বেলপাতা ভালোভাবে বেটে তার রস আধাকাপ ঠান্ডা পানির সাথে মিশিয়ে কিছুদিন খেলে শরীরে তীব্র কাম উত্তেজনা হ্রাস পায়। তবে একটা দীর্ঘদিন খাওয়া মোটেই উচিত নয়। দম্পত্য জীবনে বীপরীত ফল হতে পারে।

আলকুশী

যৌবনে নানা প্রকার কু-অভ্যাসের ফলে অতিরিক্ত শুক্র ক্ষয়ের জন্যে মহামূল্যবান বীর্য তরল হয়ে যায়। আলকুশীর পাকা বীজ চার থেকে পাচটি আগের রাতে এক কাপ গরম দুধে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে বীজগুলোর কোসা ছাড়িয়ে শিলে মিহি করে বেটে নিয়ে সামান্য গাওয়া ঘিয়ে বাটা বীজকে ভেজে নেয়া দরকার। তবে ভাজাটা খুব কড়াভাবে ভাজা চলবে না। ঠান্ডা হলে এক চামচ মিসরীগুড়া অথবা সমপরিমান চিনি মিশিয়ে দিনে একবার করে খেলে তরল বীর্য ঘন হয়ে যাবে। অন্তত বিশদিন ধরে খেয়ে যেতে হবে এবং পথ্য হিসেবে গরুর দুধ ২৫০ মি.লি. থেকে ৫০০ মি.লি ঔষুধ চলাকালীন খেয়ে যেতে হবে।

কলমি শাক

কলমি শাক আমরা প্রায় খাই। এ শাকের গুনাবলী অনেক। কলমি শাকের রস ৩ চামচ এবং অশ্বদন্ধার মূলের গুড়া (কবিরাজী দোকানে পাওয়া যায়) দেড় গ্রাম গরুর এক কাপ দুধে মিশিয়ে রাতে শোবার সময় একবার করে খেলে বীর্য গাঢ় হবে এবং স্বপ্নদোষও বন্ধ হবে।

শতমুলী

দেহে যৌবন আসার সাথে কু-অভ্যাসের ফলে বীর্য পাতলা হয়ে যায়। তাছাড়া কুচিন্তা এবং কুদৃশ্য ঐসব কুভাবনা চিন্তা দৃশ্য দেখে ঘুমের মধ্যে পাতলা বীর্য সহজেই বের হয়ে যায়। শতমূলীর রস ৫০ মিলি লিটার একটি স্টিলের পাত্রে রেখে তাতে ১০০ মিলিলিটার গাওয়া ঘিয়ে দিয়ে আচে পাক করতে হবে। এ ঘি তিন গ্রাম আধা কাপ সামান্য গরম দুধের সাথে মিশিয়ে সকালে বিকেলে খেলে বীর্য গাঢ় হবে। তবে নিজেকেও কিছুটা সংযত রাখার চেষ্টা করতে হবে।

লতাকস্তুরী

লতাকস্তুরী বীজের গুড়া দেড় গ্রাম, এক গ্লাস ঠান্ডা পানির সাথে খেলে ধীরে ধীরে শুক্র বেড়ে যায়। তবে নিয়মিত একমাস ধরে খাওয়া উচিত।

জল-যমানী (ছিলি-হিন্টি)

অনেকের প্রসাবের আগে অথবা পরে প্রস্রাবের সাথে বীর্য বেরিয়ে আসে। এ অবস্থায় এ গাছের পাতা নিয়ে থেতো করে আধা পোয়া পানিতে চটকে ছেকে নিন। তারপর তাতে অল্প চিনি মিশিয়ে শরবত করে খান, বীর্য গাঢ় হবে।

বকুল ফুল

অপুষ্টিজনিত কারণে শুক্রতরল্য দেখা দিলে পাকা বকুল ফলের সিরাপ প্রতিদিন দুপুরে আহারের পর ১ চা-চামচ নিয়ে ঠান্ডা পানি মিশিয়ে ২ থেকে ৩ সপ্তাহ খাবেন বীর্য গাঢ় হবে।

শিমুল গাছ

চারা শিমুলগাছের মুল থেতো করে বা বেটে ৭ থেকে ১০ গ্রাম নিয়ে তার সাথে একটু চিনি মিশিয়ে দু’বেলা খেলে বীর্য গাঢ় হবে।

উপরে যে কোন একটি পদ্ধতি অনুসরণ করে নিয়মিত ওষুধ খেলে বীর্য গাঢ় হবে। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মিলন হবে অটুট, মনে আসবে শান্তি এবং টাকা বাঁচবে, বাঁচবে সময়ও। ভালো লাগলে মতামত দিন।

বিঃদ্রঃ অন্য কোন সমস্যার কারণে বীর্য ঘন করার উপরিউক্ত ঘরোয়া উপায় ভাল ফলাফল না দিলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

eighteen + 16 =