English Version

খাবারে অ্যালার্জি হলে করনীয়

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
  • 265
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    265
    Shares

খাবারে অ্যালার্জি হলে করনীয়

কারও বেগুনে মুখ চুলকায়। কারও দুধ খেলে পেট খারাপ হয়ে যায়। কারও আবার ডিম খেয়ে পেট ব্যথা শুরু হয়। এগুলো খাবারে অ্যালার্জি বা ফুড অ্যালার্জি। অ্যালার্জি থাকলে কেবল বেগুন, চিংড়ি বা গরুর মাংস বাদ—এই ধারণাটা ভুল। কেননা মানুষভেদে একেক জনের একেক ধরনের খাবারে অ্যালার্জি থাকে।

কীভাবে বুঝবেন অ্যালার্জি?

যে খাবার খেলে ত্বক, মুখ ও জিবে চুলকানি, র‌্যাশ, নাক দিয়ে পানিপড়া, চোখ লাল হওয়া, শুকনো কাশি, পেট কামড়ানো বা ব্যথা, ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা হয় সেই খাবার খাওয়া বাদ দেবেন। পরিবারে অ্যালার্জির ইতিহাস থেকেও এমন হতে পারে।

শস্য: যব, ভুট্টা, ওট, ময়দা ইত্যাদি খাবারে গ্লুটেন থাকে, আর অনেকেরই গ্লুটেনে অ্যালার্জি থাকে। এ ছাড়া সিলিয়াক ডিজিজে আক্রান্ত রোগীরা গ্লুটেন খেতে পারেন না।

দুধ: জানামতে, শিশুদের দুধে অ্যালার্জি বেশি হয়। বিশেষ করে গরুর দুধে। একে বলে ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স। দুধে ল্যাকটোজ নামক যে উপাদান থাকে তা হজম করার জন্য ল্যাকটোজ এনজাইমের ঘাটতি থেকেই এ সমস্যা হয়।

ডিম: ডিমে অনেকেরই অ্যালার্জি থাকে। ডিমের আমিষ অংশ খেলে অনেকের প্রতিক্রিয়া হয়, চোখ লাল হতে পারে, ত্বকে চুলকানি হতে পারে। খুব ছোট শিশুদের ডিম না দেওয়াই ভালো।

মাছ: সামুদ্রিক মাছ, চিংড়ি, ইলিশ, স্কুইড ইত্যাদিতে অ্যালার্জি হয়ে থাকে। সবারই চিংড়ি বা ইলিশ খাওয়া নিষেধ নয়। যাদের এসব খাবার খেলে প্রতিক্রিয়া হয় শুধু তাঁরাই বাদ দেবেন।

বাদাম ও বীজ: বাদাম ও বীজজাতীয় খাবারেও অনেকের অ্যালার্জি হয়। যেহেতু এগুলোও আমিষজাতীয় খাবার, তাই ইমিউন সিস্টেমের ওপর প্রভাব বেশি ফেলে।

কী করবেন?

সহজ উপায় হলো ওই খাবারটি এড়িয়ে চলা। বাড়িতে তা সহজ, কিন্তু রেস্তোরাঁয় বা কেনা অনেক খাবারে এই উপাদান লুকিয়ে থাকতে পারে। সমস্যা দেখা দিলে অ্যান্টিহিস্টামিন খেতে পারেন। শ্বাসকষ্ট হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াই ভালো।

আরও পড়ুনঃ সীম কী কোলেস্টেরল কমায়?

গণ সচেতনতায় ডিপিআরসি হসপিটাল লিমিটেড

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

seven + 1 =