
আকস্মিক মৃত্যু
অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ প্রিয়জনের আকস্মিক মৃত্যু সংবাদে একজন শোকাহত মানুষের মনোজগতকে কি কি স্বাভাবিক ধাপ অতিক্রম করতে হয়।
মূলত তিনটি ধাপ-
১. অস্বাীকার করা
২. আত্মসচেতনতা তৈরি হওয়া
৩. শোক কাটিয়ে স্বাভাবিক কাজ-কর্মে মানোনিবেশ করা।
অস্বীকার করা
মৃত্যু একজন মানুষের জন্য দুনিয়াতে সবচেয়ে বড় হুমকিস্বরূপ। চিকিৎসা পাওয়ার পরও মৃত্যুর অব্যাহিত পরে যথাযথ তা শোকাহত পরিবার স্বজনদের কাছে বিশাল এক শক এবং অবিশ্বাস্যই লাগে। তাদের সমস্ত শরীর অবশ মনে হয় শোকে পাথরের মূর্তির মতো অচল হয়ে পড়ে। তবে মৃত্যুর ঘটনা পরিস্থিতির ওপর শোকাগত স্বজনের প্রতিক্রিয়া অনেকাংশেই নির্ভরশীল বলে প্রতীয়মান হয় এবং এই প্রতিক্রিয়াতে আমদের সামাজিক সংস্কৃতি ও ধর্মীয় বিশ্বাস বিশালভাবে প্রভাবিত হয়।
আত্মসচেতনতার উন্মেষ
আস্তে আস্তে কিছুদিন অতিবাহিত হলে মানুষ রূঢ় বাস্তবতায় মৃত্যুজনিত অপূর্ণ ক্ষতিকে বুঝতে শিখে তখন শোকাহত প্রিয়জনদের আবেগ বিভন্নিরূপে প্রকাশ পায় যেমন হতাশ/দুঃখীভাব/ক্রোধ/অপরাধবোধ/নিঃসঙ্গতা ইত্যাদি এছাড়াও শোকে মুহ্যমান হয়ে আবেগ আপ্লুত মানুষ চরম ক্ষোভও প্রকাশ করে থাকে। তার সাথে বিভন্ন পর্যায়ে দুশ্চিন্তা, ঘনঘন ক্রন্দন, চরম অস্থিরভাব, ক্রমাগত যুক্ত হয়ে থাকে।
মৃত ব্যক্তির শারীরিক উপস্থিতি তীব্রভাবে অসুভূত হয় অনেক সময় এমন ভাবে মন আলোড়িত হয় যে এসময় মৃত ব্যক্তিকে চোখে দেখতে পাচ্ছে বলে ভ্রম হয় এটা স্বাভাবিক একে অস্বাভাবিক ভাবা ঠিক না। অনেক সময় শোকাহত স্বজন পারিবারিক ও মানসিক সমস্যা নিয়ে। যাতে স্বাভাবিকভাবে স্স্নায়ুচাপ , শারীরিক ধকল, অযাচিত ব্যবহার, দুর্বলতা এবং শারীরিক অসুস্থতা অনেকাংশে মৃত ব্যক্তির মৃত্যুপূর্ববতী সমস্যার সাথে হুবহু সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়।
রিজলিউশিন
অনিবার্যভাবেই শোকাহত ব্যক্তিটির একসময় আত্মউপলব্ধি ঘটে। সে আবার সমাজে তার নতুন ভূমিকার সাথে খাপ খাইয়ে নেয়। ধীরে ধীরে এক পর্যায়ে তারা শোক কাটিয়ে উঠে ও বুঝতে শেখে যেন নতুনভাবে সামাজিক সংস্পর্ষে আসার তখনই তার শ্রেষ্ঠ সময়।
আরও পড়ুন : মনোযৌন সমস্যা কি?
medicalbd সাস্থের সকল খবর।
