
কুমড়ার বিচির এত গুণ
কুমড়ার বিচির এত গুণ!
যানা গেছে যে কুমড়ার বিচি (বীজ) ভিটামিন বি, ম্যাগনেশিয়াম, লোহা ও প্রোটিনের ভালো একটি উৎস।
বিচিগুলোতে অপরিহার্য ফ্যাটি এসিড উচ্চমাত্রায় রয়েছে। এই ফ্যাটি এসিড রক্তের অস্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সহায়তা করে। ওজন কমানো, চুলের বৃদ্ধিসহ কুমড়ার বিচির নানাগুণ জেনে নেয়া যাক..
হৃদযন্ত্র ভালো রাখতে :
কুমড়ার বিচিতে আছে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় চর্বি, ফাইবার এবং বিভিন্ন ঘরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। সবই হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী। এতে আছে ফ্যাটি এসিড, যা খারাপ রক্তের কোলেস্টেরল কমায় এবং ভালো কোলেস্টরল বাড়ায়। ম্যাগনেশিয়ামের উপস্থিতি ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা।
ভালো ঘুম:
কুমড়ার বিচিতে আছে সেরোটেনিন। স্নায়ু নিয়ন্ত্রক এই রাসায়নিক বস্তকে প্রকতির ঘুমের বাড়ি বলা হয়। ট্রাইপটোফ্যান নামের এমেিনা এসিড শরীরে গিয়ে সেরোটোনিনে রূপান্তরিত হয়, যা ঘুম নিশ্চিত করে। ঘুমানোর আগে মুঠোভর্তি কুমড়ার বিচি এনে দেবে পুরো রাত্রির শান্তি।
জ্বালাপোড়ার অনুভূতি কমায় :
পেশির জ্বালাপোড়ার অনুভ’তি কমানোর ক্ষমাতা আছে কুমড়ার বিচির । এছাড়া বাতের ব্যথায়ও কমায় এটি। অস্থিসন্ধির ব্যথা কমাতে এর তেলও ভালো কাজে দেয়।
রোগপ্রতিরোধ ক্ষমাতা বাড়ায় :
প্রচুর পরিমাণে থাকা অ্যান্টিপঅক্সিডেন্ট ও ফাইটোকেমিক্যাল শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এছাড়া ভাইরাসের সংক্রমণের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয় এটি।
ভালো রাখে প্রোস্টেট :
কুমড়ার বিচিতে আছে জিংক যা পুরুষের উর্বরতা বাড়ায় ও প্রোস্টেটের সমস্যা প্রতিরোধ করে। এতে আছে ডিএইচইএ (ডাই-হাইড্রো এপি-অ্যান্ডোস্টেনেডিয়ন) যাব প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
ডায়াবেটিসেও উপকারী :
শরীরে নিয়মিত ইনসুলিন সরবরাহ করে এবং ক্ষতিকর অক্রিসডেটিভ চাপ কমায়। এছাড়া হজমে সাহায্য করে এমন প্রোটিনও সরবরাহ করে কুমড়ার বিচি, ফলে রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
ওজন কমাতে সাহায্য করে :
ওজন কমাতেও সাহায্য করে কুমড়ার বিচি। ছোট এই খাবারেই পেটপূর্ণ থাকে অনেকক্ষণ। আর আঁশজাতীয় খাবার বলে হজমেও সময় লাগে। ফলে ক্ষুধা পায় না, শুধু শুধু বাড়তি খাবার শরীরে ঢোকার সুযোগ পায় না।
দীর্ঘ চুলের নিশ্চয়তা :
এতে আছে কিউকুরবিটিন এমন এক এডিমনোএসিড; যা চুলে বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। এছাড়া ভিটামিন সিও আছে কুমড়ার বিচিতে যা চুলে বৃদ্ধি বাড়ায়।
কীভাবে খাবেন কুমড়ার বিচি ?
কাঁচা খেতে পারেন কিংবা একটু টেলে নিয়েও খাওয়া যায়। কুমড়ার বিচি দিয়ে কেক, স্যুপ ও সালাদ বানিয়েও খেয়ে নিতে পারেন।
গণ সচেতনতায় ডিপিআরসি হসপিটাল লিমিটেড
medicalbd সাস্থের সকল খবর।
