কেন খুসখুসে কাশি হয় ও প্রতিকার কি? জেনে নিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ

খুসখুসে কাশি

অনেককেই খুসখুসে কাশির সমস্যায় ভুগে থাকেন । এ কাশিতে থুতু বা কফ হয় না। কিন্তু একটি অস্বস্তিকর অনুভূতি ক্রমাগত কাশির সৃষ্টি করে। সংক্রমণ, ব্রঙ্কাইটিস, নিউমোনিয়া, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিস এবং ধূমপানের কারণেও শুকনো কাশির উদ্রেক হতে পারে।  খুসখুসে কাশি  থেকে রক্ষা পেতে সামান্য পরিমাণ আদা কুচি কুচি করে কেটে নিন। তারপর এক কাপ পানিতে কুচি আদা গরম করে নিন। খাওয়ার আগে ঠান্ডা হতে দিন। কাশিতে আদা খুবই উপকারী।

আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক যেকোন তথ্য জানতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করে সাথেই থাকুন

সাধারণত রসুনের অ্যালিসিন নামের উপাদান জীবাণুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। এই উপাদানটি রসুনের বাজে গন্ধের কারণ হলেও তা শুকনো কাশি যাদুর মত কাজ করে থাকে। আর একটি বিষয় হচ্ছে শুষ্ক কাশিতে প্রচুর পানি পান করতে হয়। এবং অবশ্যই সেই পানি হালকা গরম হতে হবে। সারাদিনই অল্প অল্প করে গরম পানি পান করলে, খুসখুসে কাশি দূর হয়ে যাবে। দিনে অন্তত ১২ গ্লাস হালকা গরম পানি পান করুন। কাশি দূর হবে।

যদি খুসখুসে কাশি থাকে আর সিগারেটের অভ্যাস থাকলে সবার আগেই আপনাকে সিগারেট ত্যাগ করতে হবে। সাধারণত ধুমপান বা সিগারেটের ধোঁয়া কাশির উদ্রেগ বাড়িয়ে দেয়। খুসখুসে কাশির ক্ষেত্রে হলুদ ওষুধের মতো কাজ করে। এক চা চামচ হলুদের গুঁড়ার সঙ্গে গুলমরিচ মিশিয়ে এক কাপ পানিতে গরম করুন। একে একটানা ২-৩ মিনিট গরম করে নিন। এটি খাওয়ার পর অসাধারণত উপকার পাবেন।

প্রতিদিন ৪টি  তুলসি পাতা নিয়ে – সাথে মধু মিশিয়ে চিবিয়ে খান আর যাদু দেখুন। চায়ের সাথে তুলসি পাতা মিশিয়েও খাওয়া যায়। তুলসী পাতা দ্রুত খুসখুসে কাশি দূর করতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে এক চামচ মধু খেয়ে নিন। মধু কাশি কমাতে বেশ ভূমিকা পালন করে থাকে। মধুতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। গলার খুশখুশে ভাব চলে যাবে। তবে ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধু খাওয়ানো উচিত নয়।

অতিক্তি কাশি থাকলে সমতল জায়গায় না ঘুমিয়ে উঁচু বালিশে ঘুমাতে হবে। কাশির যন্ত্রণা অনেকাংশেই উপশম হবে। উষ্ণ পানিতে হালকা লবণ মিশিয়ে গার্গল করলেও বেশ আরাম মেলে। নাকের ভিতরে হালকা বামও ব্যবহার করতে পারেন। এটি নাকের পথকে পরিষ্কার করে কাশি কমাতে সহায়তা করবে। আর খেয়াল রাখবেন দীর্ঘদিন যদি খুসখুসে কাশি হয় আর উপরোক্তসবগুলো বিষয় করার পরও যদি কাশি না কমে, তাহলে অবশ্যই আপনাকে নিটস্থ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে, না হলে অন্য কোন সমস্যাও হতে পারে।

ডাঃ মোহাম্মদ আলী

মেডিসিন, বাতজ্বর ও বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ

চেম্বার: ডিপিআরসি হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনোস্টিক ল্যাব লি:

(১২/১ রিং রোড, শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭)

ফোনঃ ০৯৬৬৬ ৭৭ ৪৪ ১১

সক্ষাতের সময়: বিকেল ৫টা – রাত ৯টা

(শুক্রবার বন্ধ)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*