ক্যাপগ্রা (Capgras syndrom) বিরল মনোরোগ এর লক্ষণ ও চিকিৎসা

ক্যাপগ্রা (Capgras syndrom) বিরল মনোরোগ

ক্যাপগ্রা (Capgras syndrom) বিরল মনোরোগ

কতগুলো বিরল মনোরোগ 

ক্যাপগ্রা (Capgras syndrom)

রোগীর অটল ভ্রান্ত বিশ্বাস জন্মে যে তার আপনজন যেমন মাতাপিতা আসলে প্রকৃত তার মাতাপিতা নন। অন্যকেউ অর্থাৎ তার শত্রুরা মাতা-পিতারূপ ধারণ করে এসেছেন। এই সিনড্রোম অন্য রোগের উপসর্গ হিসেবেও থাকতে পারে; যেমন সিজোফ্রেনিয়া, ডিলিউশনাল ডিসঅর্ডার, মুড ডিসঅর্ডারস।

 

চিকিৎসা

যে রোগের সাথে এই ক্যাপগ্রা নিসড্রম দেখা দিয়েছে সেই প্রাথমিক রোগটিকে চিকিৎসা করতে হবে। সাধারণত এন্টিসাইকোটিক ওষুধ বিশেষ করে ট্রাইফ্লোর পেরাজিন ৫ মিলিগ্রাম, বড়ি সারাদিন ১৫-৩০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত দেয়া যায় অবস্থা বোঝে। রেসপেরিডন দৈনিক ৪-১২ মিলিগ্রাম দেয়া যেতে পারে। শুরুতে অল্পমাত্রায় দিয়ে ধীরে ধীরে মাত্রা বাড়াতে হয়। এরসাথে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বন্ধের জন্য প্রসাইক্লিডিন হাইড্রোক্লোরাইড ৫-১৫ মিলিগ্রাম দৈনিক দিতে হয়। অন্যান্য এন্টিসাইকোটিক্সও ব্যবহার করা যায়। রোগীর আত্মীয়দের রোগের প্রকৃতি ও ধরণ ব্যাখ্যা করে বুঝিয়ে দিতে হবে। তাদের মানসিক সমর্থন দান করতে হবে। তারা মাতা-পিতা যে আসল ব্যক্তি একথা প্রথম দিকে রোগীকে না বলাই উচিত। কেননা এতে রোগী রাগান্বিতই হবে এবং ডাক্তারকেও যড়যন্ত্রকারীদের একজন বলে মনে করবে। ফ্রান্সের সাইকিয়াট্রিস্ট ক্যাপগ্রা ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে এই রোগটি নির্ণয় করেন।

 

আরও পড়ুন:  মনোযৌন সমস্যা কি? 

 

গণ সচেতনতায় ডিপিআরসি হসপিটাল লিমিটেড

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*