হার্টের সুস্থতা নিশ্চিত করার জন্য যে খাবার পরিহার করতে হবে

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
  • 975
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
    975
    Shares

হার্টের সুস্থতা নিশ্চিত করার জন্য যে খাবার পরিহার করতে হবে

খাওয়া দাওয়ার অভ্যাস সহসরা বদলানো যায় না। আমরা যা কিচু খঅই, তা সবসময় হৃৎপিন্ডের জন্য উপকারী নয়। হৃদরোগের প্রকোপ দিনদিন যেভাবে বেড়ে চলেছে, তার পেছনে আমাদের জীবনাচরণ পদ্ধতির একটি বিশঅর ভূমিকা আছে। আর জীবনাচরণের একটি মুখ্য বিষয় খাওয়া-দাওয়ার অভ্যাস। যেসব খাবার হৃদপিন্ডকে সুস্থ-সবল রাখতে সাহায্য করে সেগুলো অনেক সময় আমরা খাই না। এজন্য আমাদের সবারই জানা উচিত হৃদপিন্ডকে সুস্থ রাখার জন্য আমরা কী খাব আর কী খাব না।

যে খাবার পরিহার করতে হবে

হৃদপিন্ডর সুস্থতা নিশ্চিত করার জন্য এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যেসব খাবারে সম্পূর্ণ চর্বি, ট্রান্সফ্যাট এবং কোলোস্টরলের পরিমাণ বেশি সেগুলো অবশ্যই আমাদের খাবারের তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে। এই জাতীয় তেল-চর্বিযুক্ত খাদ্য বেশি গ্রহণ করলে চর্বির পুরু আস্তর জমে রক্তনালির ফুটো বুজে যায়। ফলে হৃৎপিন্ডে রক্ত চলাচল কমে যায় কিংবা অংশবিশেষ একেবারে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে হৃদরোগ এবং মস্তিষ্কের পক্ষাঘাত বা স্ট্রোক হয়।

প্রতিদিন হৃদবান্ধব খাবারে সর্বোচ্চ কতটুকু চর্বি থাকতে পারে তার একটি তালিকা নিচে দেয়া হল।

খাবারে সম্পৃক্ত চর্বি এবং ট্রান্সফ্যাট কমাতে হলে আমাদের মাখন, ঘি, মার্জারিন ইত্যাদির ব্যবহার কমাতে হবে। এছাড়া গরু কিংবা খাসির চর্বিযুক্ত মাংস গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

খাবারে চর্বির পরিবর্তে বিকল্প উপাদান ব্যবহার করা যেতে পারে যেমন- মাখনের পরিবর্তে ফলের সস, জ্যাম, জেলি কিংবা দই। যে কোনো কুকি, ক্রাকার, চিপস খাওয়ার আগে গায়ের মোড়কে কী লেখা আছে তা দেখা উচিত। আজকাল সবাই কম চর্বিযুক্ত উপাদান ব্যবহার করছে। এসব খাবারে ট্রান্সফ্যাট বেশি থাকে। ট্যান্সফ্যাট বলতে আংশিক বিজারিত চর্বিকে বোঝানো হয়।

হোটেল কিংবা বাড়িতে ভাজি করার জন্য যে তেল ব্যবহার করা হয়, অনেক সময় কড়াইয়ের অতিরিক্ত তেলে রেখে দিয়ে তা পরদিন আবার অন্য তারকারি রান্নার কাজে ব্যবহার করা হয়। এ ধরণের ব্যহৃত তেল রেখে দিলে ওটাতে প্রচুর ট্রান্সফ্যাট তৈরি হওয়ার অবকাশ থাকে। অতএব প্রতিবার রান্নার সময় নতুন তেল ব্যবহার করা উত্তম, আগের দিনের ভাজাভুজির পর কড়াইয়ে থেকে যাওয়া তেল ব্যবহার করা ক্ষতিকর।

অবশ্যই রান্নার জন্য অসম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত তেল যেমন- সয়াবিন, জলপাই কিংবা ক্যানোলা তেল ব্যবহার করা উচিত। বাদাম এবং সয়াবীজের তেলে অসম্পৃক্ত চর্বির পরিবর্তে অসম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত তেল ব্যবহার করলে রক্তে কোলেস্টরল কম থাকে। অবশ্য সবধরনের তেল-চর্বিতে ক্যালরির পরিমাণ অনেক বেশি থাকে।

আরও পড়ুনঃ স্ট্রোক সম্পর্কে জানি।

গণ সচেতনতায় ডিপিআরসি হসপিটাল লিমিটেড

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

5 × three =