বাতজ্বর হলে কি করবেন?

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
  • 386
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
    386
    Shares

বাতজ্বর হলে কি করবেন?

সাধারণত মনে করা হয় গিরায় গিরায় কিংবা হাড়ে হাড়ে ব্যথা হলে সেটা বাত জ্বরের লক্ষণ। তবে সবক্ষেত্রেই তা সঠিক নয়। “রোগীর অতীত ইতিহাস, উপসর্গ এবং অন্যান্য পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে এ রোগ নিশ্চিত করতে হয়”। বাতজ্বরের কিছু মুখ্য ও কিছু গৌন লক্ষণ রয়েছে

দুটি কিংবা একটি মুখ্য লক্ষণের সঙ্গে দুটি গৌন লক্ষণ নিশ্চিতভাবে মিলে গেলে বাতজ্বর নির্ণয় করা যায়। তার সঙ্গে বিটা হিমোলাইটিক স্ট্রেপটোকক্কাসজনিত সংক্রমণের ইতিহাসও প্রমাণ থাকতে হবে।

মুখ্য লক্ষণ-

০১. হৃদপিন্ডে প্রদাহ। যার ফলে জ্বর, বুকে ব্যথা, বুক ধড়ফড় করা নাড়ির গতি বেড়ে যাওয়া এবং শ্বাসকষ্ট হতে পারে।
০২. গিরায় ব্যথা হয় সাধারণত শরীরেরর বড় বড় সন্ধিতে ব্যথা হয়। একটি সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যাওয়ার পর অন্যটি আক্রান্ত হয়।
০৩. বুকে ও পিঠে লাল বর্ণের চাকা হয়।
০৪. হাত-পা বা শরীরের কোনো অংশের নিয়ন্ত্রণহীন কাঁপুনি।
০৫. ত্বকের নিচে শিমের বিচির মতো ছোট আকৃতির শক্ত ও ব্যথা দানাযুক্ত গুটি।

গৌণ লক্ষণ-

০১. স্বপ্ল মাত্রার জ্বর
০২. গিরায় গিরায় ব্যথা
০৩. রক্তের ই.এস.আর বেড়ে যাওয়া
০৪. এ.এস.ও টাইটার বৃদ্ধি

নানা ভ্রান্তি ও অসচেতনতা থেকে সাবধান

রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা নিয়ে রয়েছে নানা ভ্রান্তি ও অসচেতনতা। যেমন- স্টেপটোকক্কাস ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের কারণে রক্তে এ.এস.ও টাইটার বৃদ্ধি পায়। অনেক সময় এটি বৃদ্ধি পেলেই বলা হয় বাতজ্বর হয়েছে। কিন্তু এ.এস.ও টাইটার একটি সহায়ক পরীক্ষা মাত্র। অন্যান্য লক্ষণ না থাকলে এর বৃদ্ধিতে কিছু আসে যায় না। বাতজ্বর ছাড়াও এ.এস.ও টাইটার বাড়তে পারে।

যেমন- স্ট্রেপটোকক্কাস জনিত কিডনী রোগ, স্বারলেট জ্বর, নিউমোনিয়া, ইরাই সেপালাস এবং যেকোনো স্ট্রেপটোকক্কাস সংক্রমণ। তাই এ.এস.ও টাইটার বেশি পেলেই আতঙ্কিত হবেন না।

আরও পড়ুনঃ কোন রোগের জন্য কোন চিকিৎসক? জেনে নিন।

ডাঃ মোহাম্মদ আলী
মেডিসিন, বাতজ্বর ও বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ
ডিপিআরসি হাসপাতাল লিঃ
সিরিয়ালঃ ০১৯৯৭৭০২০০২

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

5 + four =