পুরুষদের একটি মারাত্বক সমস্যা- ”রেট্রোগ্রেড ইজাকলেশন”

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
  • 14
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
    14
    Shares

রেট্রোগ্রেড ইজাকুলেশন

সাধারণত স্বাভাবিকভাবে বীর্য মূত্রনালি দিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসে কিন্তু তা না হয়ে বীর্য যদি পেছনের দিক দিয়ে মূত্রথলিতে চলে যায় তখন সেই অবস্থাকে বা এই সমস্যাকেই রেট্রোগ্রেড ইজাকুলেশন বলা হয়।

কিভাবে এটা হয়

স্বাভাবিকভাবে মূত্রথলির স্ফিংটার সঙ্কুচিত হয় এবং শুক্রাণু মূত্রনালিতে ধাবিত হয়। রেট্রোগ্রেড ইজাকুলেশনের ক্ষেত্রে এই স্ফিংটার ঠিকমতো কাজ করে না।

আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক যেকোন তথ্য জানতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করে সাথেই থাকুন

যে কারণ এই সমস্যা হয়

এই সমস্যাটি সাধারণত অটোনমিক স্নায়ুতন্ত্র কিংবা প্রোস্টেট অপারেশনের জন্য হয়ে থাকে। টিইউআরপি (ট্রান্স ইউরেথ্রাল রিসেকশন অব প্রোস্টেট)-এর একটি সাধারণ জটিলতা হচ্ছে রেট্রোগ্রেড ইজাকুলেশন। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণেও রেট্রোগ্রেড ইজাকুলেশন হয়ে থাকে। এসব ওষুধের মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ ওষুধটি হচ্ছে ট্যামসুলোসিন। এটি বিভিন্ন কারণে মূত্রপথের মাংসপেশিগুলো শিথিল করতে ব্যবহার করা হয়। এসব ওষুধ মূত্রথলির স্ফিংটারকে শিথিল করতে পারে এবং এ কারণে স্ফিংটার পুরোপুরি সঙ্কুচিত হতে ব্যর্থ হয়।

অ্যান্টিডিপ্রেস্যান্ট এবং অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধগুলোও এ ধরনের সমস্যা তৈরি করে থাকে। যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে, তাদের জটিলতা হিসেবে রেট্রোগ্রেড ইজাকুলেশন হতে পারে। ডায়াবেটিসের রোগীরা যদি দীর্ঘদিন রক্তের চিনি নিয়ন্ত্রণ না করেন, তা হলে এ সমস্যাটি দেখা দেয়। মূত্রথলির স্ফিংটারের স্নায়ু সমস্যার কারণে এটা হয়।

বুঝার উপায়

সাধারণত বীর্যস্খলনের পর পরই প্রস্রাব পরীক্ষা করে রোগ নির্ণয় করা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে প্রস্রাবে বীর্য পাওয়া যাবে আর এটাই এই রোগ নির্ণয় বা বুঝার সহজ উপায়।

সঠিক চিকিৎসা-ব্যবস্থা

রেট্রোগ্রেড ইজাকুলেশনের কারণে বন্ধ্যত্ব ঘটতে পারে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই। ওই পুরুষের স্ত্রী সন্তান উৎপাদন থেকে বঞ্চিত হন বা সন্তান হয় না যে ক্ষেতে উক্ত পুরুষই দায়ী। এ ক্ষেত্রে পুরুষের শুক্রাণু মহিলার যোনিতে পৌঁছতে পারে না। তাই গর্ভসঞ্চার করার জন্য পুরুষটির প্রস্রাব সেনট্রিফিউজড করা হয় এবং তারপর শুক্রাণু আলাদা করে তা মহিলার যৌনিতে প্রবেশ করানো হয়। সাধারণত এই সমস্যায় আক্রান্ত প্রায় ৪০ শতাংশ পুরুষের মধ্যে দেখা যায়, সিউডোইফিড্রিন ব্যবহারে বীর্যস্খলনের গুণগত উন্নতি হয়। কিন্তু অন্য বিষয়টি হচ্ছে, ওষুধের সাথে পুরুষাঙ্গ শিথিল হওয়ার সম্পর্কও রয়েছে মানে যৌন দূর্বলতা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

3 × 1 =