গরমে ক্লান্তি দূর করতে অন্যরকম উপায়

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  

গরমে ক্লান্তি স্বাভাবিকভাবে একটু বেশিই দেখা দেয়। বিশেষ করে অফিসে কাজ করার সময় বা দুপুরের দিকে অনেকেই অফিসে বসেই ঘুমিয়ে পড়েন বা বারবার পড়ে যান, আর এই পরিস্থিটা সাধারণত গরমেই বেশি দেখা যায়। তো চলুন জেনে নিউ গরমে কিভাবে ক্লান্তি দূর করে নিজেকে সতেজ রাখবেন। নিম্নের টিপসগুলো ফলো করলে আপনি অনেকটাই ক্লান্তি দূর করে নিজেকে সতেজ রাখতে পারবেন।

  • কোমল পানীয় কিংবা এনার্জি ড্রিংক এড়িয়ে চলুন। এসব পানীয়তে যথেষ্ট পানি থাকলেও অধিক পরিমাণে খাওয়া ক্ষতিকর।
  • কালো কিংবা গাঢ় রঙের পোশাক পরা থেকে বিরত থাকুন। সাদা কিংবা হালকা রঙের ঢিলেঢালা পোশাক পরুন। এতে পোশাক সূর্যের তাপ কম শোষণ করবে এবং পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলে সাহায্য করবে। ফলে দেহ ঠাণ্ডা থাকবে এবং ঘামের পরিমাণ কম হবে।
  • বড় করে নিঃশ্বাস নিন। ২-১ মিনিট স্বাভাবিকভাবে যখন নিঃশ্বাস নিই, তখন তা পরিপূর্ণভাবে নিঃশ্বাস নেয়া হয় না। এতে করে আমাদের দেহে অক্সিজেন সঠিক পরিমাণে পৌঁছায় না। ফলে দেহে ভর করে ক্লান্তি স্বাভাবিকের চাইতে অনেক বেশি। তাই খুব বেশি ক্লান্ত লাগলে বড় বড় করে নিঃশ্বাস নিতে থাকুন।
  • বাদাম খান। বাদাম হলো এনার্জির অনেক সহজলভ্য এবং স্বাস্থ্যকর উৎস। হাতের কাছেই রাখুন বাদাম, যখনই অনেক বেশি ক্লান্তি অনুভব করবেন, বাদাম খেলে উপকার পাবেন।
  • এক জায়গায় অনেকক্ষণ বসে একঘেয়ে কাজ করতে থাকলে দেহে অনেক বেশি ক্লান্তি এসে ভর করে। এর থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় হচ্ছে একঘেয়েমি কাটানো। আর সে কারণেই উঠে খানিকক্ষণ হাঁটাহাঁটি করে নিন। দেখবেন, ক্লান্তি দূর হয়ে গেছে।
  • পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক অন্তত ২.২ লিটার পানি পান করা প্রয়োজন। বাইরে বেরনোর পূর্বে এবং বাইরে থেকে ফেরার পর পর্যাপ্ত পানি পান করুন। এতে আপনার দেহে পানির সমতা বজায় থাকবে।
  • যারা ঘরের বাইরে বেশি সময় কাটান এবং অধিক শারীরিক পরিশ্রম করেন তারা অধিক পরিমাণে ঘামেন। ফলে পানি খাবার ব্যাপারে তাদের অধিক সচেতন হওয়া প্রয়োজন।
  • খাবার স্যালাইন খেতে পারেন। বাজারে বিভিন্ন কোম্পানির খাবার স্যালাইন পাওয়া যায়। এসব স্যালাইনে সুষম আকারে লবনের মিশ্রণ থাকে। বিশুদ্ধ পানিতে এ ধরনের স্যালাইন তৈরি করে খেতে পারেন অথবা এক গ্লাস পানিতে এক চামচ চিনি এবং এক চিমটি খাবার লবণ মিশিয়েও খাওয়া যেতে পারে। এতে আপনার দেহে লবণ ও পানির ভারসাম্য বজায় থাকবে।
  • বেশি করে রসালো ফল খাবার চেষ্টা করুন। গ্রীষ্মকালে হাতের কাছেই পাওয়া যায় এমন অনেক ফল যেমন: তরমুজ, আনারস ইত্যাদিতে প্রচুর পানি থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

9 + seven =